দীর্ঘ অপেক্ষা আর কয়েক দফা সময় পিছিয়ে অবশেষে প্রথম বারের মতো নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে পঞ্চগড়ের দেবীগঞ্জ পৌরসভায়। করোনার কারণে বার বার নির্বাচন পিছিয়ে যাওয়ায় নির্বাচনে এবার নেই কোন উত্তাপ। ভোটারদের মধ্যেও নেই তেমন কোন উচ্ছাস।
মেয়র পদে আওয়ামী লীগের দলীয় প্রার্থীকে ঠেকাতে মাঠে রয়েছে দলের আরও ৪ বিদ্রোহী প্রার্থী। বিএনপি নির্বাচনে অংশ না নিলেও তাদেরও দুই প্রার্থী স্বতন্ত্র হিসেবে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বীতা করছেন।
২০১৪ সালে দেবীগঞ্জ উপজেলার দেবীগঞ্জ সদর, দেবীডুবা ইউনিয়নের কিছু অংশ নিয়ে গঠিত হয় দেবীগঞ্জ পৌরসভা। তারপর নানা জটিলতায় ঝুলে ছিলো নির্বাচন। ভোটারদের মধ্যেও নেই তেমন কোন আগ্রহ। পথ ঘাট থেকে শুরু করে চায়ের দোকান কোথাও তেমন নেই নির্বাচনী উত্তাপ।
২/৪টি গুরুত্বপূর্ণ স্থান ছাড়া তেমন কোথাও নেই পোস্টারও। তবে চলছে প্রত্যেক প্রার্থীর মাইকিংয়ে প্রচারণা। এছাড়া প্রার্থীরা ছুটছেন ভোটারদের বাড়ি বাড়ি, চলছে দায়সারা উঠোন বৈঠক। চাইছেন ভোট। দিচ্ছেন নানা প্রতিশ্রুতি। তবে ভোটাররা চাচ্ছেন সৎ যোগ্য ও গ্রহণযোগ্য প্রার্থীকে পৌরসভার চেয়ারে বসাতে।
মেয়র পদে এই নির্বাচনে অংশ নিয়েছে ক্ষমতাশীন দল আওয়ামী লীগের মনোনিত প্রার্থীসহ মোট ৯ জন প্রার্থী। কাউন্সিলর পদে ৬৩ জন এবং সংরক্ষিত মহিলা কাউন্সিলর পদে ১৮ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। পৌরসভায় ভোটার রয়েছে ১০ হাজার ৯১৪ জন।
এদিকে গত ৫ সেপ্টেম্বর জেলা আওয়ামী লীগ বিদ্রোহী এই চার প্রার্থীকে সাময়িক বহিষ্কার করলেও মাঠ থেকে সরেননি তারা।
একাত্তর/ এনএ