তিনদিনের ভোগান্তি কাটিয়ে চট্টগ্রামে আবাসিক সিএনজি ফিলিং স্টেশনে ও শিল্পে গ্যাসের সরবরাহ স্বাভাবিক হয়েছে।রোববার বিকেল থেকেই গ্যাসের সরবরাহ স্বাভাবিক হতে শুরু করে বলে জানিয়েছেন গ্রাহকরা।
কক্সবাজারের মহেশখালীতে গত বৃহস্পতিবার থেকে মহেশখালীতে ভাসমান এলএনজি টার্মিনালের কারিগরি ত্রুটির কারণে সরবরাহে বিঘ্ন ঘটে। এতে গ্যাস শূন্য হয়ে যায় পুরো চট্টগ্রাম।
প্রায় ছয় লাখ আবাসিক গ্রাহক, ৭০টি সিএনজি ফিলিং স্টেশনসহ কলকারখানার গ্যাস সরবরাহ বন্ধ হয়ে যায়।
রোববার বিদ্যুৎ জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ জানান, আগামী দুই একদিনের মধ্যেই ঢাকা ও চট্টগ্রামের গ্যাস সংকট কেটে যাবে।
এরপর ত্রুটি সারিয়ে এলএনজি টার্মিনাল থেকে গ্যাস সরবরাহ শুরু করলে শনিবার বিকেল থেকে চট্টগ্রামের বিভিন্ন এলাকায় ধীরে ধীরে গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক হতে শুরু করে।
তবে দুইদিন গ্যাস না থাকায় বিভিন্ন সিএনজি ফিলিং স্টেশনে গাড়ির জট ছিলো। রোববার বিকেল থেকেই গাড়ির চাপ স্বাভাবিক হতে শুরু করে।
কর্ণফুলী গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লি. এর কর্মকর্তারা জানান- মহেশখালীর তরল প্রাকৃতিক গ্যাস এর ভাসমান স্টেশন বা জাহাজ থেকে এখন ৪৮০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস পাওয়া যাচ্ছে। আর চট্টগ্রামের জন্য ২৬০ থেকে ২৯০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস রেখে বাকিটা জাতীয় গ্রিডে দিয়ে দেওয়া হচ্ছে।
চট্টগ্রামে গ্যাসের চাহিদা রয়েছে ৩৫০ থেকে ৩৬০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস।