কক্সবাজারে একটি হাসপাতাল থেকে চোখের পরীক্ষা করে বাড়ি ফেরার পথে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ছয় জন। তাদের মধ্যে ঘটনাস্থলে দুই জন এবং হাসপাতালে আরও চার জন মারা গেছে। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও ১২ জন। তাদের জেলার বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
সোমবার বেলা সাড়ে ১১টার জেলার ঈদগাঁও উপজেলার কক্সবাজার-চট্টগ্রাম মহাসড়কের খোদাইবাড়ি এজি লুৎফুর কবির আদর্শ দাখিল মাদ্রাসা এলাকায় এই সড়ক দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন, চট্টগ্রামের বাঁশখালী উপজেলার বাহারছড়া ইউপির ইলশা গ্রামের মনির আহমেদের স্ত্রী হাফসা বেগম, খানখানাবাদ ইউপির কুফিয়া ডোংরা গ্রামের গোলাম সোবহানের ছেলে মো. দুলা মিয়া, বাহারছড়া সাত নম্বর ওয়ার্ডের ইলশা পুরাতন গ্রামের মৃত মফিজুর রহমানের ছেলে আবু আহমদ, পশ্চিম ইলশার মৃত মাহবুবুল আলমের স্ত্রী মাহমুদা বেগম, ডোংরা চৌকিদার বাড়ির আব্দুল কুদ্দুসের স্ত্রী সায়রা খাতুন।
এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত নিহত অন্যদের পরিচয় জানা যায়। তবে নিহতদের মধ্যে সায়রা খাতুন এবং মাহমদা খাতুন সম্পর্কে মা-মেয়ে বলে জানিয়েছেন তাদের স্বজনরা।
আহতরা হলেন- বাহারছড়া আট নম্বর ওয়ার্ডের মৃত আকমল মিয়ার ছেলে আব্দুল মান্নান, একই ইউপির দক্ষিণ ইলশা পাঁচ নম্বর ওয়ার্ডের মৃত আবু ছালেকের স্ত্রী ফাতেমা বেগম, খানখানাবাদ ইউপির চার নম্বর ওয়ার্ডের মৃত দুদু মিয়ার ছেলে আব্দুর রশিদ, কাথরিয়া দুই নম্বর ওয়ার্ডের মাতব্বর বাড়ির তৈয়ব আলীর স্ত্রী জাহানারা বেগম, তিন নম্বর ওয়ার্ড বাগমারা গ্রামের আবুল খাইয়েরের ছেলে রফিক আহমদ, একই এলাকার আব্দুল কায়ুম প্রামাণিকের ছেলে নুরুল হোসেনসহ অন্তত ১২ জন।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, কক্সবাজার বায়তুশ শরফ চক্ষু হাসপাতাল থেকে চিকিৎসা নিয়ে মাইক্রোবাসে করে ফিরছিলেন চট্টগ্রামের বাঁশখালীর ১৪ জন। মাইক্রোবাসটি ওই এলাকায় পৌঁছালে অপর প্রান্ত থেকে আসা শ্যামলী পরিবহনের একটি বাসে সঙ্গে সংঘর্ষ হয়। তখন ঘটনাস্থলে দুই নারী নিহত হন। আশঙ্কাজনক অবস্থায় কয়েকজনকে হাসপাতালে নেওয়া হয়।
ডুলাহাজারা হাইওয়ে পুলিশের ইনচার্জ মো. মোজাম্মেল হক জানান, মরদেহগুলো পরিবারে হস্তান্তর করা হয়েছে।