চট্টগ্রামে কোটা আন্দোলনকারীদের সঙ্গে সরকার সমর্থকদের সংঘর্ষে এক শিক্ষার্থীসহ দুই জন মারা গেছেন।
চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের (সিএমপি) কমিশনার সাইফুল ইসলাম সাংবাদিকদের বলেন, নিহতদের একজন চট্টগ্রাম কলেজের শিক্ষার্থী। একজন পথচারী। চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতাল থেকে আমরা মৃত্যুর তথ্য পেয়েছি।
মঙ্গলবার নগরীর মুরাদপুর এলাকায় কোটা আন্দোলনকারীদের সঙ্গে সরকার সমর্থকদের সংঘর্ষ শুরু হয়। পরে ঘটনার রেশ ছড়িয়ে পড়ে নগরীর বহদ্দারহাট থেকে জিইসি মোড় পর্যন্ত। কয়েক কিলোমিটার এলাকা রণক্ষেত্রে রূপ নিয়েছে।
এতে এক পক্ষ অপর পক্ষের ওপর ইটপাটকেল নিক্ষেপের পাশাপাশি বেশ কয়েকটি ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে।
মুরাদপুর মোড়ে কোটা সংস্কার আন্দোলনকারীরা এবং ষোলশহর এলাকায় ছাত্রলীগের নেতাকর্মী অবস্থান নেয়। এতে এক পক্ষ অপর পক্ষকে ইটপাটকেল নিক্ষেপ এবং ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা চলছে। সংঘর্ষে উভয় পক্ষের বেশ কয়েকজন আহত হয়।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, পূর্ব ঘোষণা অনুযায়ী বিকাল ৩টা থেকে নগরীর ষোলশহর স্টেশনের সামনে বিক্ষোভ কর্মসূচি পালনের কথা ছিলো কোটা সংস্কার আন্দোলনকারীদের। এর আগেই ষোলশহর স্টেশন দখল করে রাখে ছাত্রলীগ নেতাকর্মীরা। পরে কোটা আন্দোলনকারীরা মুরাদপুরে অবস্থান নেন। ছাত্রলীগ নেতাকর্মীরা ষোলশহর থেকে মিছিল নিয়ে মুরাদপুর গেলে কোটা আন্দোলনকারীদের সঙ্গে সংঘর্ষ বাধে।
এর আগে রংপুরে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে কোটা সংস্কার আন্দোলনের এক কর্মী নিহত হয়েছেন। বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষার্থী আবু সাঈদ পুলিশের গুলিতে আহত হন। হাসপাতালে নেওয়ার পথে তার মৃত্যু হয়।