লক্ষ্মীপুরের চন্দ্রগঞ্জ থানার মান্দারী ইউনিয়নের গন্ধব্যপুর এলাকার এহ্ইয়াউল উলুম হাফিজিয়া মাদ্রাসার এক আবাসিক শিক্ষার্থীকে দীর্ঘদিন ধরে যৌন নিপীড়নের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় মাদ্রাসার শিক্ষক মাওলানা ইব্রাহিমকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তবে অপর অভিযুক্ত মাদ্রাসার প্রধান শিক্ষকের ছেলে মোহাম্মদ এখনো পলাতক রয়েছেন।
স্থানীয়রা জানান, শনিবার (২৪ অক্টোবর) ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর মা বাদি হয়ে চন্দ্রগঞ্জ থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে একটি মামলা দায়ের করেন। ওই দিন বিকেল চারটার দিকে পুলিশ অভিযান চালিয়ে মাদ্রাসা থেকে মাওলানা ইব্রাহিমকে গ্রেপ্তার করে।
ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর মা বলেন, ছেলেকে পবিত্র কোরআনের হাফেজ বানানোর উদ্দেশ্যে তিনি মাদ্রাসাটির আবাসিক বিভাগে ভর্তি করেছিলেন। ইতিমধ্যে তার ছেলে কোরআনের চার পারা হিফজ সম্পন্ন করেছে। কিন্তু অভিযুক্তরা দীর্ঘদিন ধরে তার ছেলেকে যৌন নিপীড়ন করে আসছে বলে ছেলে তাদের জানায়। তিনি এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত সাপেক্ষে জড়িত ব্যক্তিদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেছেন।
চন্দ্রগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ আবদুর রব জানান, যৌন নিপীড়নের অভিযোগে ভুক্তভোগীর মা বাদি হয়ে মামলা করার পর তাৎক্ষণিকভাবে অভিযান চালিয়ে অভিযুক্ত শিক্ষককে গ্রেপ্তার করা হয়। রোববার তাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। অপর অভিযুক্তকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।