বাগেরহাটে একটি মৎস্য ঘের এক যুবতীকে আটকে চোখ-মুখ বেঁধে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় থানায় মামলার পর পুলিশ পাঁচ জনকে গ্রেপ্তার করেছে।
মঙ্গলবার রাত ১০টার দিকে জেলার মোংলা উপজেলার সুন্দরবন ইউনিয়নের উত্তর বাঁশতলা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
পরে বৃহস্পতিবার সকালে নির্যাতনের শিকার ওই যুবতীর এক আত্মীয় বাদি হয়ে সাত জনের নামে থানায় অভিযোগ দিলে পুলিশ তাদের মধ্যে পাঁচ জনকে গ্রেপ্তার করে।
তারা হলেন- বাঁশতলা গ্রামের রুমান ফকির (২৫), রানা শেখ (২৪), মো. সুমন (২৯), মিজানুর মোছাল্লী (৩৬) ও চিলা ইউনিয়নের হলদিবুনিয়া পঙ্গুর মোড় এলাকার রাসেল শেখ (২২)।
মামলার বরাত দিয়ে মোংলা থানায় অফিসার ইনচার্জ কেএম আজিজুল ইসলাম বলেন, ওই নারীর (২২) সঙ্গে কয়েকদিন আগে আসামি রুমান ফকির ও রানা শেখের মোবাইলে পরিচয় হয়। এক পর্যায়ে মঙ্গলবার রাত ১০টার দিকে মোটরসাইকেলে করে ওই এলাকায় নিয়ে সংঘবদ্ধভাবে ধর্ষণ করে। নির্যাতনে জ্ঞান হারালে চাঁদপাই ইউনিয়নের মৌখালী ব্রিজের রাস্তার পাশে ফেলে তারা পালিয়ে যায়।
ওসি জানান, ওই পথ দিয়ে বাইক নিয়ে যাওয়ার সময় হুমায়ুন নামে এক ব্যক্তি চোখ-মুখ বাঁধা ওই নারীকে দেখতে পান এবং উদ্ধার করেন। পরে ভিকটিম তার এক আত্মীয়কে খবর দিলে মোংলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়।
এরপর ওই আত্মীয় বাদি হয়ে মামলা করলে পাঁচ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়। দুপুরে আদালতের মাধ্যমে তাদের বাগেরহাট জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে।