সম্প্রতি নাটোরের সিংড়া উপজেলার সিংড়াপাড়া গ্রামের ওসমান গণির একটি মোটরসাইকেল চুরি হয়। বিভিন্ন জায়গায় খোঁজাখুঁজি করে বাইকটি না পেয়ে অজ্ঞাতনামা চোরদের বিরুদ্ধে সিংড়া থানায় এজাহার দেন তিনি।
এ ঘটনার তদন্তে নামে পুলিশের একটি টিম। চোরাই মোটরসাইকেল উদ্ধার ও জড়িতদের গ্রেফতারের জন্য কাজ শুরু করেন তারা।
থানা পুলিশের ওই টিমের অভিযানে যুক্ত হয় এন্টি টেরোরিজম ইউনিটের একটি চৌকস দল। এরপর সিরাজগঞ্জ জেলার শাহজাদপুর উপজেলার বাতিয়া গ্রাম থেকে চোরাই মোটরসাইকেলটি উদ্ধার করেন তারা।
আর এই মোটরসাইকেল উদ্ধার করতে গিয়েই পুলিশ সন্ধান পায় আন্তজেলা বাইক চোরের একটি চক্রের। ধরা হয় আটজনকে। তাদের দেয়া তথ্যের ভিত্তিকে আরও ১৫টি চোরাই বাইক উদ্ধার করে পুলিশ।
শুক্রবার সকালে নাটোর পুলিশ লাইনসে প্রেস ব্রিফিংয়ে পুলিশ সুপার মো. তারিকুল ইসলাম সাংবাদিকদের এসব তথ্য জানান।
তিনি বলেন, অভিযান চালিয়ে নাটোরে আন্তজেলা মোটরসাইকেল চোর চক্রের ৮ সদস্যকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এ সময় উদ্ধার করা হয়েছে ১৬টি চোরাই মোটরসাইকেল।
চক্রের সদস্যদের বাড়ি বিভিন্ন জেলায় হলেও তারা সংঘবদ্ধ হয়ে বাইক চুরি করে তা বিক্রি করতেন বলে জানান পুলিশ সুপার। তিনি বলেন, অভিযুক্তদের জিজ্ঞাসাবাদে ও তাদের তথ্য অনুযায়ী নাটোর, সিরাজগঞ্জ ও পাবনা জেলার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালানো হয়।
বাইক চুরির অভিযোগে গ্রেফতার আটজন হলেন- বগুড়া জেলার গাবতলী থানার পুরাদহ এলাকার বাদশা সরকারের ছেলে মো. দুলাল মিয়া, টাঙ্গাইল জেলার ভূঞাপুর থানার পাখাইলকান্দি এলাকার মৃত মোজাফফর আলীর ছেলে আইয়ুব আলী, পাবনা জেলার আমিনপুর থানার সৈয়দপুর এলাকার হিরু খানের ছেলে শামীম খান, একই উপজেলার কালিনগর এলাকার মৃত এরশাদ আলীর ছেলে মো. নাছির উদ্দিন।
রাজশাহীর এয়ারপোর্ট বাইয়া এলাকার শামীম বাবুর ছেলে আল-আমিন ইসলাম, পাবনা জেলার বেড়া থাসার পূর্ব শ্রীকন্ঠদিয়া এলাকার মো. সোলেমান শেখের ছেলে খবির শেখ, সিরাজগঞ্জ জেলার শাহজাদপুর থানার বাতিয়া এলাকার আব্দুল জলিল মণ্ডলের ছেলে বাচ্চু মিয়া এবং পাবনা জেলার আতাইকুলা থানার চুলকাটা এলাকার মিনহাজ উদ্দিনের ছেলে জিয়াম হোসেন জিম।