চবিতে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভে শিক্ষকদের সংহতি

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসে শিক্ষার্থীকে যৌন নিপীড়নের ঘটনার সাথে জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবিতে বিক্ষোভ করছে বিশ্ববিদ্যালয়টির শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও বিভিন্ন সংগঠনের নেতা কর্মীরা। বিক্ষোভে সবার জন্য নিরাপদ ক্যাম্পাস গড়ে তোলা ও সান্ধ্য আইন বাতিল করারও দাবি তোলা হয়েছে।

এদিকে, যৌন নিপীড়নের ঘটনার সাথে জড়িতদের বিচারের আওতায় আনা হবে জানিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি।

সকাল থেকেই মানববন্ধন মিছিল সমাবেশের মাধ্যমে নিরাপদ ক্যাম্পাস ও বিশ্ববিদ্যালয়ের এক শিক্ষার্থীকে যৌন হয়রানির ঘটনায় জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে প্রতিবাদ সমাবেশ করেন সাধারন শিক্ষার্থীরা।শুধু সাধারন শিক্ষার্থী নয়, বিভিন্ন সংগঠনের পক্ষ থেকে প্রতিবাদে উত্তাল ছিল চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়।

রোববার (১৭ জুলাই) বিশ্ববিদ্যালয়ের বোটানিক্যাল গার্ডেন এলাকায় পাঁচ তরুনের হাতে এক শিক্ষার্থী যৌন নিপীড়নের শিকার হন। এ সময় তার সঙ্গে থাকা এক বন্ধু প্রতিবাদ করলে তাকে ও মারধর করা হয়।

এঘটনায় প্রক্টরের কার্যালয়ে মেয়েটি অভিযোগ জানায়। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা অবিলম্বে দোষীদের গ্রেপ্তার ও বিচারের দাবি জানায়।

বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি জানিয়েছেন ক্যাম্পাসে এধরণের ন্যক্কারজনক ঘটনায় প্রশাসন জিরো টলারেন্স। অবিলম্বে জড়িতদের গ্রেপ্তার করা হবে। বিশ্বিদ্যালয়ে এ ধরনের ঘটনা কোন ভাবেই কাম্য নয় বলে জানান বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকরা।

এ ঘটনায় অজ্ঞাতনামা পাঁচ জনকে আসামী করে মামলা করা হয়েছে। এছাড়া চার কর্মদিবসের মধ্যে এ ঘটনার তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়া হবে জানিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।


একাত্তর/এসএ