শুক্রবার ছুটির দিনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনে প্রার্থীদের প্রচারে মুখর হয়ে উঠেছে ক্যাম্পাস। আজ বাকের মজুমদারকে সমর্থন দিয়ে ভোটের মাঠ থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন জিএস প্রার্থী মাহিন মজুমদার।
এদিকে ছাত্রদল সমর্থিত ভিপি প্রার্থী অনেকের আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ এনে নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। আর শিবির সমর্থিত ভিপি প্রার্থী শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে ব্যাপক সাড়া পাচ্ছেন বলে জানিয়েছেন।
শুক্রবার, ছুটির দিন। কিন্তু ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে পরিচিত নিস্তব্ধতার বদলে ডাকসু নির্বাচনের উত্তাপ। ৯ সেপ্টেম্বর নির্বাচনকে সামনে রেখে, ছুটির দিনকে প্রার্থীরা দেখছেন বড় সুযোগ হিসেবে।
তবে দিনের শুরুটা হয় আবু বাকের মজুমদারকে সমর্থন দিয়ে জিএস পদ থেকে মাহিন মজুমদারের সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়ে। যদিও এখন আর প্রার্থীতা প্রত্যাহারের সুযোগ না থাকায়, ব্যালট পেপারে তার নাম থাকছেই।
ছয় বছর পর ডাকসু নির্বাচনকে কেন্দ্র করে উত্তেজনার ঝড়ও বইছে কখনও কখনও। অভিযোগ-পাল্টা অভিযোগ সবই রাজনীতির চেনা দৃশ্য।
রাজনৈতিকভাবে মোকাবিলা করতে ব্যর্থ হয়ে একটি গোষ্ঠী অপপ্রচারে নেমেছে ও সাইবার বুলিং করছে বলে অভিযোগ তুলেছেন ছাত্রদল–সমর্থিত সহসভাপতি (ভিপি) প্রার্থী আবিদুল ইসলাম। বারবার নির্বাচন কমিশনের কাছে গিয়েও ষড়যন্ত্র বন্ধ করতে ব্যর্থ হয়েছেন বলেন তিনি।
শুক্রবার জুমার নামাজের পর শিক্ষার্থীদের কাছে ভোট চান অনেকে। কেউ নিজের পরিচিতি তুলে ধরেন, কেউ দেন শিক্ষার্থীদের জন্য ভালো কিছু করার প্রতিশ্রুতি।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ বা ডাকসুর ৩৮ তম নির্বাচন হতে যাচ্ছে এবার। তবে ১৯৯০ সালের পর হচ্ছে দ্বিতীয়বারের মতো।
১৯২৩ সালে ডাকসু প্রতিষ্ঠার পর থেকে এখন পর্যন্ত ৩৭ বার নির্বাচন হয়েছে। সবশেষ ২০১৯ সালের নির্বাচনে ভিপি হন সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদের নুরুল হক নুর। জিএস নির্বাচিত হয়েছিলেন ছাত্রলীগের (বর্তমানে নিষিদ্ধ) গোলাম রাব্বানী।
বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর ১৯৭২ সালের ডাকসুর ভিপি নির্বাচিত হন বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়ন থেকে প্রার্থী হওয়া মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম এবং সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন মাহবুবুর জামান।