স্বাস্থ্যসেবায় দেশের সক্ষমতার উজ্জ্বল এক নাম কমিউনিটি ক্লিনিক। যার মাধ্যমে প্রান্তিক পর্যায়ের মানুষের কাছে পৌঁছে গেছে স্বাস্থ্যসেবা।
দেশের গণ্ডি ছাপিয়ে আন্তর্জাতিকভাবেও ব্যাপক সমাদৃত বর্তমান সরকারের এই উদ্যোগ। পাবলিক হেলথ অ্যান্ড ডিপ্লোম্যাসি কনফারেন্সে যোগ দিতে আসা বিদেশি প্রতিনিধিরা কমিউনিটি ক্লিনিক ঘুরে দেখে বললেন, এই মডেল সারাবিশ্বের জন্য অনুসরণীয় দৃষ্টান্ত।
১৭ কোটি মানুষের দেশে স্বাস্থ্যসেবার সামর্থ্য আর চাহিদার ফারাকটা বিশাল। কিন্তু এতো সমালোচনার ভিড়েও গ্রামের মানুষের প্রাথমিক চিকিৎসা নিশ্চিত করেছে কমিউনিটি ক্লিনিক। প্রতি ছয় হাজার মানুষের জন্য একটি ক্লিনিক। আগে যেখানে জ্বর বা অপুষ্টির মত অসুখের জন্য হাসপাতালে যাওয়া ছিলো সময় আর ব্যয়সাপেক্ষ, সেখানে কমিউনিটি ক্লিনিকে বিনামূল্যে দোরগোড়ায় পৌঁছে গেছে প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা।
সরকারের এই উদ্যোগ জাতিসংঘের স্বীকৃত পেয়েছে ‘দি শেখ হাসিনা ইনিশিয়েটিভ’ নামে।
পাবলিক হেলথ এন্ড ডিপ্লোম্যাসি কনফারেন্সে যোগ দিতে আসা বিদেশী প্রতিনিধিদেরও কমিউনিটি ক্লিনিকের কার্যক্রম নিয়ে আগ্রহ ছিলো। বিশ্বের জন্য এটিকে একটি অনুসরণীয় উদ্যোগ হিসেবে উল্লেখ করেন তারা।
স্বাস্থ্যখাতের কর্মকর্তারা জানান, সবার জন্য স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করার এই উদ্যোগ বাংলাদেশকে দিয়েছে ভিন্ন মাত্রা।
আরও পড়ুন: সরকারি হাসপাতালে ডেঙ্গু পরীক্ষার ফি কমে হলো ৫০ টাকা
২০০০ সালে প্রথম কার্যক্রম শুরু করে কমিউনিটি ক্লিনিক। আর এখন সারাদেশে এর সংখ্যা ছাড়িয়েছে ১৪ হাজার।
একাত্তর/জো