ডেঙ্গুর প্রকোপ থাকতে পারে জানুয়ারি পর্যন্ত, শঙ্কা কীটতত্ত্ববিদদের

আগামী জানুয়ারি পর্যন্ত ডেঙ্গুর প্রকোপ থাকতে পারে বলে শংকা কীটতত্ত্ববিদদের। নভেম্বরেও এই রোগে শনাক্ত ও মৃত্যু উচ্চহারে হতে পারে বলেই জানান তারা। সেপ্টেম্বরি-অক্টোবর মাসে থেমে থেমে বৃষ্টি ও এডিস মশা নিয়ন্ত্রণে ঢিলেঢালা প্রস্তুতি এই সংকটের প্রধান কারণ হিসেবে দেখছেন তারা। সরেজমিনে রাজধানীর হাসপাতালগুলোতে দেখা যায়, ডেঙ্গু শনাক্ত ও মৃত্যুর তালিকা দীর্ঘ থেকে দীর্ঘ হচ্ছে। 

ডেঙ্গুজনিত মৃত্যু এবং সংক্রমণ বাড়ছেই। শুধুমাত্র অক্টোবর মাসেই দেশে ডেঙ্গুতে ৮০ জন মারা গেছে। এই মাসেই আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন অন্তত ২২ হাজার ৫২০ জন। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিসংখ্যান বলছে, সংক্রমণ ও মৃত্যুর দিক থেকেই ডেঙ্গু আক্রমণে অক্টোবর ছিলো সর্বোচ্চ। 

সরকারি রোগ গবেষণা প্রতিষ্ঠান আইইডিসিআর বলছে, এই বছর সেপ্টেম্বর মাস পর্যন্ত হাসপাতালগুলোতে ঢাকার বাইরে রোগী ভর্তির হার বেশি ছিল। কিন্তু অক্টোবরের দ্বিতীয় সপ্তাহ থেকেই ঢাকায় রোগী বাড়তে শুরু করে। শুধু ঢাকা নয়, নারায়ণগঞ্জ ও গাজীপুরের মতো পাশের জেলাগুলোয় রোগী বেড়েছে উল্লেখযোগ্য হারে।

আর, কীটতত্ত্ববিদ ড. কবিরুল বাশার বলেছেন, আগামী নভেম্বর-ডিসেম্বরের শীতেও এডিস মশা সক্রিয় থাকবে। জানুয়ারির পর রোগীর সংখ্যা ধীরে ধীরে কমতে পারে; তবে এই জীবাণু পুরোপুরি নির্মূল অসম্ভব বলে জানান এই কীটতত্ত্ববিদ। জলবায়ু পরিবর্তন, বিলম্বিত বৃষ্টিপাত, সিটি করপোরেশনের অদক্ষতা এবং ভাইরাসের অব্যাহত সঞ্চালনে এডিস সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে আসছেনা বলেও জানান তিনি।