সেমেরু আগ্নেয়গিরিতে আবার উদগীরণ, মৃত্যু বেড়ে ২২

ইন্দোনেশিয়ার জাভা দ্বীপের মাউন্ট সেমেরু আগ্নেয়গিরি আবার সক্রিয়া হয়ে উঠেছে। উত্তপ্ত ছাই উদগীরণের ঘটনায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ২২ জনে দাঁড়িয়েছে। 

সোমবার (৬ ডিসেম্বর) ইন্দোনেশিয়ার দুর্যোগ প্রশমন সংস্থার বরাত দিয়ে বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছেন, মৃতের সংখ্যা বেড়ে ২২ জনে দাঁড়িয়েছে। এখনও নিখোঁজ রয়েছেন অন্তত ২৭ জন।   

ইন্দোনেশিয়ার আগ্নেয়গিরি এবং ভূতাত্ত্বিক ঝুঁকি প্রশমন কেন্দ্র নতুন করে উদগীরণের কথা নিশ্চিত করেছে। 

সেমেরু আগ্নেয়গিরি পর্যবেক্ষণাগারের প্রধান লিসওয়ান্তো বলেন, ইন্দোনেশিয়ার সবচেয়ে সক্রিয় আগ্নেয়গিরিগুলোর মধ্যে সেমেরু একটি। ৪ ডিসেম্বরের উদগীরণের আগেও এটি সক্রিয় ছিল, পরেও এর সক্রিয়তা বজায় আছে এবং থাকবে। 

মাউন্ট সেমেরুর সম্ভাব্য হুমকি এখনও বজায় আছে এবং যারা এলাকায় ফিরছেন তাদের আরও বেশি সতর্ক থাকা দরকার বলে মনে করেন লিসওয়ান্তো। 

এরইমধ্যে সুম্বুলউলু এলাকায় চলছে উদ্ধার অভিযান। তবে খারাপ আবহাওয়ার কারণে ধ্বংসস্তূপ থেকে হতাহতদের উদ্ধার করা কঠিন হয়ে দাঁড়িয়েছে। লাভার উত্তাপে শনিবার লুমাজাং জেলার দুটি এলাকার সঙ্গে মালাং শহরকে সংযোগকারী একটি গুরুত্বপূর্ণ সেতু ধ্বংস হয়ে যাওয়ায় উদ্ধার কাজ ও ত্রাণ সরবরাহে বিঘ্ন ঘটছে।

নিখোঁজদের স্বজনরা তাদের পরিবারের লোকদের ছবি ফেইসবুকে শেয়ার করে তাদের বিষয়ে সন্ধান চালাচ্ছেন। ৫০ জনেরও বেশি মানুষ দগ্ধ হয়েছেন। বসতবাড়ি হারিয়েছেন এক হাজার সাতশ' জনেরও বেশি মানুষ।

আরও পড়ুন: ব্যক্তিগত কারণে পদ ছাড়তে চিঠি দিলেন প্রতিমন্ত্রী মুরাদ

তবে এখনও ফ্লাইট চলাচলের ওপর অগ্ন্যুৎপাত এখনো উল্লেখযোগ্য কোনো প্রভাব ফেলতে পারেনি বলে এক বিবৃতিতে জানিয়েছে ইন্দোনেশিয়ার আকাশপথ নিয়ন্ত্রণকারী সংস্থা এয়ারন্যাভ। 

১৩০টি সক্রিয় আগ্নেয়গিরির দেশ ইন্দোনেশিয়ার জাভা দ্বীপের সবচেয়ে উঁচুতে অবস্থিত এই সেমেরু আগ্নেয়গিরি। গত জানুয়ারিতেও এই আগ্নেয়গিরির অগ্নুৎপাত হয়েছে। তবে তখন কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি।


একাত্তর/আরবিএস