ইরানের জনগণের বিরুদ্ধে মানবাধিকার লঙ্ঘন ও 'সন্ত্রাসবাদ' -এর অভিযোগে ২৪ মার্কিন কর্মকর্তার ওপর নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে তেহরান।
২০১৫ সালের পরমাণু চুক্তি পুনরুদ্ধার করার জন্য যখন ইরান এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র নিজেদের মধ্যে আলোচনার প্রক্রিয়া শুরু করেছে, ঠিক সেই সময় এলো এ নতুন নিষেধাজ্ঞা। এর ফলে পরমাণু আলোচনা ভেস্তে যতে পারে বলে শঙ্কা প্রকাশ করেছেন দুই দেশের কূটনীতিবিদরা।
এ নিষেধাজ্ঞার আওতায় পড়েছেন জর্জ ডব্লিউ ক্যাসি জুনিয়র, সাবেক মার্কিন সেনাবাহিনীর চিফ অব স্টাফ এবং ইরাকে মাল্টি ন্যাশনাল ফোর্সের কমান্ডিং জেনারেল জোসেফ ভোটেল, সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের অ্যাটর্নি রুডি গিলিয়ানি। অন্যদিকে ফিলিস্তিন-লেবাননে থাকা বর্তমান এবং সাবেক মার্কিন কূটনীতিকরাও নিষেধাজ্ঞার তালিকায় রয়েছেন।
কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরা জানিয়েছে, শনিবার (৯ এপ্রিল) ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রাণালয় বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। তবে এ বিষয়ে এখনও কোনো মন্তব্য করেনি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র।
ইরানের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সন্ত্রাসী কার্যকলাপে জড়িত থাকায় যুক্তরাষ্ট্রের ৯ কর্মকর্তা এ তালিকায় স্থান পেয়ছেন। এছাড়া মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগে আরও ১৫ জনকে তালিকাভুক্ত করা হয়েছে।
আরও পড়ুন: আতঙ্কে হৃদয় মণ্ডলের পরিবার, মামলা সম্পর্কে জানে না বাদি
ইরান বলছে, তালিকায় সেই ব্যক্তিদের অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে, যারা ট্রাম্প এবং ওবামা প্রশাসনের সময় ইরানের ওপর নিষধাজ্ঞা আরোপ ও সম্প্রসারণে সহায়তায় জড়িত ছিলেন। কারণ ওবামা এবং ট্রাম্পের আমলে ইরানের ওপর একের পর এক নিষেধাজ্ঞা চাপিয়ে দেয় যুক্তরাষ্ট্র।
এদিকে ইরানের সাথে নতুন করে সম্পর্ক স্থাপনের পদক্ষেপ গ্রহণ করে বিরোধীদের সমালোচনার মুখে পড়েছেন বাইডেন। এমনকি সৌদি আরবের মতো মার্কিন মিত্ররাও বাইডেনের ওপর ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।