রুশ-বাংলাদেশ সম্পর্কে কোন সমস্যা দেখছে না দুই দেশ


রাশিয়ার সাথে বাংলাদেশের সম্পর্ক কেমন হবে তা নিয়ে দ্বিমত তৈরি হয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের সাথে। বাংলাদেশ বলছে, রাশিয়ার সাথে বাংলাদেশের বন্ধুত্ব সুদৃঢ। 

ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধ অথবা যুক্তরাষ্ট্রের মতো কোন শক্তিশালী দেশের ক্ষোভের কারণে সেই অবস্থান থেকে সরে আসবে না, বাংলাদেশ। 

আর রাশিয়া বলছে, তৃতীয় কোন দেশের প্রভাব দুই দেশের বাণিজ্য বা দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কে প্রভাব ফেলতে পারবে না। 

সারা দুনিয়ায় প্রতি ১০ ব্যারেল তেলের এক ব্যারেল উৎপাদিত হয় রাশিয়ায়। আবার রাশিয়া গ্যাস রপ্তানি বন্ধ করে দিলে ইউরোপের অর্থনীতিতে আসবে মন্দাভাব। 

যার কারণে ইউরোপে তৈরি পোশাক রপ্তানি কমে যেতে পারে। সংকট আসতে পারে গম, সারের মতো পণ্যেও।

অর্থনৈতিক লেনদেনের এ জটিলতা আরো ঘনীভূত হয় যখন রাশিয়ার প্রথম সারির কয়েকটি ব্যাংকের ওপর সুইফট নিষেধাজ্ঞা দেয়। রুপপুর প্রকল্পের অর্থায়ন নিয়েও তৈরি হয় সংকট।

বাংলাদেশে রাশিয়ার রাষ্ট্রদূত আলেকজান্ডার মানতায়েত্সকি বলছেন, দুই দেশ অর্থ লেনদেন কোনো সমস্যায় পড়বে না। 

এরিমধ্যে ইউক্রেনে রাশিয়া আগ্রাসন নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র তার অবস্থান পরিষ্কার করেছে এবং সবার সহযোগিতা চেয়েছে। যদিও বাংলাদেশ রাশিয়ার বিরুদ্ধে অবস্থান নিতে অপরাগতা জানিয়েছে।

রাশিয়ার রাষ্ট্রদূত অবশ্য জানিয়েছেন, তৃতীয় কোন দেশের কারনে রাশিয়া-বাংলাদেশ সম্পর্কে অবনতি হবে না। 

সম্প্রতি পররাষ্ট্রমন্ত্রী এবং সচিব বাংলাদেশ যুক্তরাষ্ট্র কূটনৈতিক সম্পর্কের পঞ্চাশ বছর পূর্তি উপলক্ষ্যে দেশটি সফর করেন। তখন ইউক্রেনে রাশিয়ার আগ্রাসন নিয়ে বাংলাদেশের সাথে একমত হয়নি রাশিয়া।

 

একাত্তর/এআর