ওমিক্রনের দুই উপধরনে দক্ষিণ আফ্রিকায় বাড়ছে করোনা

ওমিক্রনের দুটি উপধরনের কারণে দক্ষিণ আফ্রিকায় নতুন করোনা সংক্রমণ বাড়ছে বলে জানিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিওএইচও)।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা প্রধান টেডরস আধানম গেব্রিয়াসিস বুধবার (৪ মে) এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। 

গেব্রিয়াসিস বলেন, দক্ষিণ আফ্রিকার বিজ্ঞানী যারা ওমিক্রন প্রথম শনাক্ত করেছিলেন তারা আরও দুটি উপধরন চিহ্নিত করেছেন। ধরন দুটি হলো- বিএফোর এবং বিএফাইভ। এ দুটি ধরনের কারণে দেশটিতে করোনা সংক্রমণ বাড়ছে। 

এ দুটি ধরন আগের অন্যান্য উপধরনের তুলনায় আরও মারাত্মক কিনা তা এখনই বলা সম্ভব নয় বলেও জানান তিনি। 

তিনি আরও বলেন, সবশেষ তথ্য অনুযায়ী, টিকা করোনার তীব্রতা ও মৃত্যুর ঝুঁকি কমাতে এখনও কার্যকর।

ওমিক্রনের অনেকগুলো উপধরন রয়েছে বলে জানা গেছে, যার মধ্যে বিএটু এখন পর্যন্ত সবচেয়ে প্রভাবশালী।

কিন্তু এখন দক্ষিণ আফ্রিকার বিজ্ঞানীরা বলছেন,বিএফোর এবং বিএফাইভ আরও বেশি সংক্রমক। আফ্রিকা অঞ্চলে এই দুই উপধরনের কারণে নতুন করে শঙ্কা তৈরি হয়েছে। 

২০২১ সালের নভেম্বরে করোনার ওমিক্রন ধরন প্রথম দক্ষিণ আফ্রিকায় শনাক্ত হয়। তীব্র সংক্রামক হওয়ায় বিশ্বে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে এটি।

আরও পড়ুন: ঘূর্ণিঝড়ের অবস্থা দেখে ব্যবস্থা, তবু প্রস্তুত বাংলাদেশ

ডব্লিওএইচও বলছে, দক্ষিণ আফ্রিকায় প্রায় ৩৮ লাখ লোক করোনায় সংক্রমিত হয়েছে এবং মারা গেছে এক লাখেরও বেশি লোক।

টেডরসের মতে, জনগণকে করোনা থেকে সুরক্ষা দিতে টিকা সবচেয়ে কার্যকর। ফলে গণপরীক্ষার পাশপাশি গণটিকা কার্যক্রম চালু রাখতে দেশগুলোর প্রতি আহবান জানান তিনি। 


একাত্তর/আরবিএস