ইউক্রেনের খাদ্যশস্য পাঠানো নিয়ে কথা বলতে রাজি পুতিন

ইউক্রেনের বন্দরে আটকে থাকা শস্য পাঠানোর উপায় খুঁজতে মস্কো প্রস্তুত বলে জানিয়েছেন পুতিন।

রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন স্থানীয় সময় শনিবার (২৮ মে) সকালে ফান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ এবং জার্মান চ্যান্সেলর ওলাফ শলৎসের সঙ্গে এক ফোনালাপে এ কথা জানান বলেছেন। এ সময় পুতিন ইউক্রেনে অস্ত্র পাঠানোর জন্য তাদের সতর্ক করেছেন বলে জানা গেছে রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে। 

পুতিন বলেন, রাশিয়ান সার এবং কৃষি পণ্যের সরবরাহ বৃদ্ধি বিশ্বব্যাপী খাদ্য বাজারে অস্থিরতা কমাতে সাহায্য করবে। তবে সেজন্য অবশ্যই রাশিয়ার বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করতে হবে এই দুই দেশকে। 

ক্রেমলিন জানিয়েছে, পুতিন দুই নেতাকে সতর্ক করে বলেছেন, ইউক্রেনে অস্ত্র সরবরাহ করা ‘বিপজ্জনক’। এতে করে ইউক্রেনের পরিস্থিতির আরও অস্থিতিশীল এবং মানবিক সঙ্কট বৃদ্ধির ঝুঁকি সম্পর্কে’ও সতর্ক করে দিয়েছেন পুতিন। 

ক্রেমলিন বলেছে, দুই নেতার সঙ্গে ইউক্রেন এবং রাশিয়ার মধ্যকার আলোচনার প্রতি ‘বিশেষভাবে জোর’ দেওয়া হয়। তবে ইউক্রেনের দোষে ওই আলোচনা স্থবির হয়ে পড়েছে বলে অভিযোগ করেছে রাশিয়া। 

এদিকে ইউক্রেনের বন্দর অবরোধ করে দুই কোটি ২০ লাখ টন খাদ্যশস্য রপ্তানি রাশিয়া আটকে দিয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভোলোদিমির জেলেনস্কি।  

জেলেনস্কির অভিযোগ, ইউক্রেনের প্রায় অর্ধেক খাদ্যশস্য রপ্তানি বর্তমানে আটকে আছে। আজভ ও কৃষ্ণ সাগরের মধ্য দিয়ে রপ্তানির প্রধান রুটটি অবরোধ করে রেখেছে রাশিয়া।

এ পরিস্থিতিকে বৈশ্বিক খাদ্য নিরাপত্তার জন্য সম্ভাব্য ‘বিপর্যয়’ হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন জেলেনস্কি।


একাত্তর/এসএ