বিশ্বে বেড়েই চলেছে মাঙ্কিপক্সের প্রকোপ। এরইমধ্যে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা ৫০ হাজার ৪৯৬ জন ছাড়িয়েছে। এ ভাইরাসে এখন পর্যন্ত মৃত্যু হয়েছে ১৬ জনের।
বুধবার (৩১ আগস্ট) বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডাব্লিউএইচও) প্রকাশিত এক পরিসংখ্যান থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
সংস্থাটির পরিসংখ্যান অনুযায়ী, বিশ্বে গত সাত দিনে নতুন পাঁচ হাজার ১৩৯ মাঙ্কিপক্স রোগী শনাক্ত হয়েছে। এ সময় একজন রোগী মারা গেছেন। এছাড়া ১২৫টি দেশে এই রোগ ছড়িয়ে পড়েছে।
মাঙ্কিপক্স রোগীর সংখ্যা এক হাজার ছাড়িয়েছে এমন দেশগুলো হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র, স্পেন, ব্রাজিল, ফ্রান্স, জার্মানি, ব্রিটেন, পেরু, কানাডা ও নেদারল্যাণ্ডস। এসব দেশে যথাক্রমে ১৭ হাজার ৯৯৪, ছয় হাজার ৫৪৩, চার হাজার ৬৯৩, তিন হাজার ৫৪৭, তিন হাজার ৪৬৭, তিন হাজার ৪১৩, এক হাজার ৪৬৩, এক হাজার ২২৮ এবং এক হাজার ১৬০ জন রোগী শনাক্ত হয়েছেন।
ডাব্লিউএইচও মহাপরিচালক তেদ্রোস বলেন, কিছু দেশে নতুন রোগীর সংখ্যা হ্রাস পাওয়া থেকে প্রমাণিত হয় যে, মাঙ্কিপক্সের বিস্তার নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব। সম্প্রতি কিছু কিছু দেশে মাঙ্কিপক্সে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা বাড়লেও, কানাডায় অব্যাহতভাবে কমছে।
যুক্তরাজ্যের জাতীয় স্বাস্থ্য পরিষেবার তথ্য অনুসারে, মাঙ্কিপক্স একটি বিরল ভাইরাসজনিত সংক্রমণ, যা সাধারণত তেমন মারাত্মক নয়; এবং বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই আক্রান্ত ব্যক্তি কয়েক সপ্তাহের মধ্যে এ রোগ থেকে সেরে ওঠে। ভাইরাসটি সহজে মানুষের মধ্যে ছড়িয়ে পড়ে না এবং মানুষের মধ্যে এ রোগের ব্যাপক সংক্রমণের ঝুঁকি খুব কম বলেই জানা গেছে।
আরও পড়ুন: বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডের বিচার বন্ধ ছিল সবচেয়ে বড় মানবাধিকার লঙ্ঘন: তথ্যমন্ত্রী
মাঙ্কিপক্সের জন্য নির্দিষ্ট কোন ভ্যাকসিন নেই। তবে গুটিবসন্তের টিকা নেওয়া থাকলে, তা মাঙ্কিপক্স থেকে ৮০ শতাংশ সুরক্ষা দেয়। কারণ দুটি ভাইরাস অনেকটা একই ধরনের।
মাঙ্কিপক্সের উপসর্গ- মাঙ্কিপক্স আক্রান্তদের মধ্যে জ্বর, মাথাব্যথা, ফুসকুড়ি, র্যাশের মত উপসর্গ দেখতে পাওয়া গিয়েছে। মুখ থেকে শুরু হয়ে শরীরের বাকি অংশে ছড়িয়ে পড়বে এই র্যাশ।
একাত্তর/আরবিএস