২৫ তালেবান যোদ্ধাকে হত্যা করেছিলেন প্রিন্স হ্যারি

আফগানিস্তানে ২৫ তালেবান যোদ্ধাদের হত্যা করার কথা জানিয়ে প্রিন্স হ্যারি বলেছেন, এজন্য তিনি লজ্জিত নন, আবার গর্বিতও নন। হ্যারি মনে করেন, ওয়ান ইলিভেনের পেছনে যারা ছিল এবং যারা তাকে সমর্থন করেছে, তারা মানবতার শত্রু। 

নিজের আত্মজীবনীতে এমন সব বিস্ফোরক তথ্যই জানিয়েছেন তিনি। তার আত্মজীবনী নিয়ে ইতিমধ্যেই বিতর্ক শুরু হয়েছে। আগামী ১০ জানুয়ারি এই বই প্রকাশিত হবে। এতে কি কি থাকছে, সেটি নিয়েই তোলপাড় বিশ্বের প্রভাবশালী সংবাদমাধ্যমগুলো।

আফগানিস্তানে অ্যামেরিকার নেতৃত্বাধীন বাহিনীতে ছিলেন প্রিন্স হ্যারি। ব্রিটিশ সেনার অংশ হিসাবে তিনি সেখানে যান। সেখানে তিনি সামরিক হেলিকপ্টার চালাতেন। 

৩৮ বছর বয়সি প্রিন্স হ্যারি লিখেছেন, তিনি ফরোয়ার্ড এয়ার কন্ট্রোলার হিসাবে কাজ করেছেন। সেই সময় তিনি ২৫ জনকে হত্যা করেছেন। হ্যারি বলেন, তিনি এর জন্য গর্বিত বা অনুতপ্ত কিছুই নন। এটা অনেকটা দাবার বোর্ড থেকে ঘুঁটি সরানোর মতো। 

তিনি লেখেন, আমার সংখ্যা হলো ২৫। এটা আমাকে সন্তুষ্ট করে না, এজন্য কোনো অস্বস্তিও হয় না। এর পিছনে যুক্তি হিসাবে তিনি আমেরিকাতে ওয়ান ইলেভেনের সন্ত্রাসী হামলা ও সেই সময় নিহতদের পরিবারের সঙ্গে তার দেখা করার প্রসঙ্গ তুলেছেন।

প্রিন্স হ্যারির আত্মজীবনী নিয়ে ইতিমধ্যেই বিতর্ক শুরু হয়েছে। গার্ডিয়ানের রিপোর্ট বলছে, এই আত্মজীবনীতে প্রিন্স হ্যারি জানিয়েছেন, তার স্ত্রী মেগানকে নিয়ে প্রিন্স উইলিয়ামের সঙ্গে তার একবার ঝগড়া হয়। উইলিয়াম তখন তাকে মেরে মাটিতে ফেলে দেন।

বইতে হ্যারি এটাও জানিয়েছেন, তারা দুই ভাই বাবা এবং এখন যুক্তরাজ্যের রাজা চার্লসকে বারবার অনুরোধ করেছিলেন, তিনি যেন ক্যামিলাকে বিয়ে না করেন। তিনি এটাও জানিয়েছেন, কিশোর বয়সে তিনি কোকেনে অভ্যস্ত ছিলেন।


একাত্তর/এআর