লিমকা বুক অফ রেকর্ডস অনুযায়ী বিশ্বের বয়স্কতম মানুষ ফ্রান্সের নান সিস্টার আন্দ্রে ১১৮ বছর ১১ মাস ৭ দিন বয়সে মারা গেছেন।
১১৯ বছর বয়সে কিছুদিন আগেই মৃত্যু হয় জাপানের কেন তানাকার। মৃত্যুর আগ পর্যন্ত তিনিই ছিলেন বিশ্বের বয়স্কতম মানুষ। তার মৃত্যুর পর সবচেয়ে বয়স্কতম মানুষের খেতাব পান সিস্টার আন্দ্রে। খবর রয়টার্সের।
দুইটি বিশ্বযুদ্ধ দেখা সিস্টার করোনাও আক্রান্ত হয়েছিলেন। কিন্তু তিনি সব সামলে নিয়েছিলেন। তার হাসপাতালে বহু করোনা রোগী ভর্তি হয়েছিলেন। সিস্টারই তাদের পরিচর্যা করেছেন।
তবে শেষ বয়সে নানান সমস্যায় ভুগতে হয়েছিল তাকে। হাঁটতে পারতেন না। হুইল চেয়ারে ঘুরতে হতো। চোখেও দেখতে পাচ্ছিলেন না।
বুধবার (১৮ জানুয়ারি) সিস্টার আন্দ্রের হাসপাতালের মুখপাত্র জানান, ঘুমের মধ্যেই তার মৃত্যু হয়।
১৯০৪ সালে এক প্রটেস্টান্ট পরিবারে জন্ম সিস্টারের। তখন তার নাম ছিলো লুসিলে রানডন। ২৬ বছর বয়সে তিনি ক্যাথলিক হন। ৪১ বছর বয়সে পরিবারের মায়া কাটিয়ে তিনি নানে পরিণত হন। তারপরেই তার নাম হয় আন্দ্রে। কিছুদিন আগেই সিস্টারের মর্যাদা পেয়েছিলেন তিনি।
নিজের হাসপাতালে পরিচর্যার কাজ করতেন সিস্টার আন্দ্রে।
সম্প্রতি এক প্রশ্নের জবাবে সাংবাদিকদের সিস্টার আন্দ্রে বলেছিলেন, তার এতোবছর বেঁচে থাকার কারণ একটাই- মানুষের সেবা করা।
আরও পড়ুন: ৬২ বছরে এই প্রথম চীনের জনসংখ্যা কমছে
তবে সিস্টার আন্দ্রেই সবচেয়ে বয়স্ক ছিলেন কি না, তা নিয়ে বিতর্ক রয়েছে। সম্প্রতি ভারতের এক যোগবীর স্বামী শিবানন্দ দাবি করেছিলেন তার বয়স ১২৫। চিকিৎসকেরাও তার দাবি সমর্থন করেছেন।
শিবানন্দের ভক্তেরা জানিয়েছেন, লিমকা বুক অফ রেকর্ডে তার নাম তোলার জন্য ইতিমধ্যেই কথাবার্তা বলা হয়েছে। সেই প্রক্রিয়া চলাকালীনই মৃত্যু হলো সিস্টারের।
একাত্তর/আরএ