২০৪০ সাল নাগাদ এক কোটিরও বেশি কর্মী ঘাটতির মুখে পড়তে পারে জাপান। শ্রমের চাহিদা স্থিতিশীল থাকা সত্ত্বেও ২০২২ সাল থেকে ২০৪০ সালের মধ্যে দেশটিতে কর্মী সরবরাহ প্রায় ১২ শতাংশ হ্রাস পাবে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
ভবিষ্যতের আনুমানিক মোট অভ্যন্তরীণ উৎপাদন বা জিডিপি এবং লিঙ্গ-প্রজন্মের ভিত্তিতে কর্মীদের অনুপাতের ওপর ভিত্তি করে এই পূর্বাভাস তৈরি করেছে জাপানের গবেষণা প্রতিষ্ঠান রিক্রুট ওয়ার্কস ইন্সটিটিউট।
গবেষণা প্রতিষ্ঠানটি বুধবার জানিয়েছে, জেলা হিসাবে টোকিও ছাড়া সবকটি জেলাতেই কর্মী ঘাটতির সম্ভাবনা রয়েছে। ১৮টি জেলায় শ্রমিক ঘাটতির হার হবে বিশ শতাংশের বেশি, যা দেশটির মোট শ্রমিকের প্রায় এক তৃতীয়াংশ।
কিয়োতো, নিইগাতা এবং নাগানোর মত জেলাগুলোতে এই সংখ্যা ৩০ শতাংশ ছাড়িয়ে যাবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এসব এলাকায় অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড সুনিশ্চিত এক পর্যায়ে থাকার ফলে শ্রমের চাহিদা সেখানে সম্ভবত বেশি হবে এবং জন্মহার হ্রাস পাওয়ার সাথে বয়স্ক লোকের সংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়ায় কর্মী ঘাটতি দেখা দেবে।
অন্যদিকে শিমানে, কাগাওয়া এবং তোইয়ামা জেলায় কর্মীর চাহিদা হ্রাস পাওয়ায় সেই সব এলাকায় শ্রম ঘাটতির পূর্বাভাস হচ্ছে নিম্ন মাত্রার।
সম্প্রতি প্রকাশিত জাপানের সরকারি তথ্য মতে, জাপানের জনসংখ্যা গত চার বছর ধরে কমছে। দেশটির জনসংখ্যা প্রায় শূন্য দশমিক ১৭ শতাংশ বা ২ লাখ ১৫ হাজার কমেছে।
আরও পড়ুন: নারীরা উদ্যোক্তা হিসেবে সুনামের সাথে কাজ করছেন: স্পিকার
দেশটির জনসংখ্যার বড় একটি অংশই এখন প্রবীণ। এ অবস্থায় জনসংখ্যা বাড়াতে বিশেষ উদ্যোগ নিচ্ছে জাপান সরকার। এমনকি জনসংখ্যা বাড়াতে আর্থিক প্রণোদনা ঘোষণা করেছে সরকার।
প্রতিটি শিশু জন্মের পর তার অভিভাবককে চার লাখ ২০ হাজার ইয়েন দেওয়া হচ্ছে সরকারের তহবিল থেকে। কিন্তু তাতেও বাড়ছে না দেশটির জনসংখ্যা।
একাত্তর/আরবিএস