ইন্দোনেশিয়ার সুমাত্রা দ্বীপের পশ্চিমে সাত দশমিক তিন মাত্রার ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে। মঙ্গলবার স্থানীয় সময় রাত তিনটায় এ ভূমিকম্প অনুভূত হয়। খবর রয়টার্সের।
ইন্দোনেশিয়ার জিওফিজিক্স এজেন্সি জানিয়েছে, এ ভূমিকম্পের পরপরই সেখানে সুনামি সতর্কতা জারি করা হয়। একই সঙ্গে উপকূলের আশপাশ থেকে স্থানীয়দের সরে যাওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়। এর দুই ঘণ্টা পর এ সতর্কতা তুলে নেওয়া হয়।
এর আগে ইউরোপীয়-ভূমধ্যসাগরীয় সিসমোলজিক্যাল সেন্টার ছয় দশমিক ৯ মাত্রার ভূমিকম্পের অনুমান করেছিল।
বিএমকেজির ডেটার বরাত দিয়ে রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ভূমিকম্পটি ৮৪ কিলোমিটার গভীরতায়, স্থানীয় সময় প্রায় তিনটায় আঘাত হানে। পরে বেশ কয়েকটি আফটারশক শনাক্ত করা হয়, এর মাত্র ছিল পাঁচ।
ইন্দোনেশিয়ার দুর্যোগ প্রশমন এজেন্সির মুখপাত্র আবদুল মুহারি বলেছেন, কর্তৃপক্ষ সুমাত্রার পশ্চিম উপকূলে উপকেন্দ্রের নিকটবর্তী দ্বীপগুলি থেকে তথ্য সংগ্রহ করছে।
তিনি বলেন, পশ্চিম সুমাত্রার রাজধানী পাডাং-এ ভূমিকম্পটি তীব্রভাবে অনুভূত হয়েছিল এবং কিছু লোক সৈকত থেকে দূরে সরে গিয়েছিল।
মানুষ তাদের বাড়িঘর ছেড়ে চলে গেছে। অনেকে আতঙ্কিত থাকলেও নিয়ন্ত্রণে ছিলেন। বর্তমানে তাদের মধ্যে কেউ কেউ সমুদ্র থেকে দূরে সরে যাচ্ছেন। এখন পর্যন্ত কোনো ক্ষয়ক্ষতি দেখেননি বলেও জানান আবদুল মুহারি।
এদিকে স্থানীয় সংবাদ ফুটেজে দেখা গেছে, কিছু পাদাং বাসিন্দা মোটরবাইকে করে এবং পায়ে হেঁটে উঁচু ভূমিতে সরে যাচ্ছেন। কেউ ব্যাকপ্যাক নিয়ে, আবার কেউ বৃষ্টির মধ্যে ছাতার নিচে অবস্থান করছেন।
আরও পড়ুন: পাকিস্তানে কাউন্টার টেররিজম অফিসে বিস্ফোরণ, নিহত ১২
স্থানীয় এক কর্মকর্তা বলেছেন, সিবেরুত দ্বীপের লোকজনকে ইতিমধ্যেই সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। সুনামির সতর্কতা প্রত্যাহার না হওয়া পর্যন্ত তাদের সেখানে থাকতে বলা হয়েছে।
ইন্দোনেশিয়া ঘন ঘন ভূমিকম্পের শিকার হয় কারণ এটি তথাকথিত প্রশান্ত মহাসাগরীয় রিং অফ ফায়ার। এটি ভূমিকম্পগতভাবে সক্রিয় অঞ্চল, যেখানে পৃথিবীর ভূত্বকের বিভিন্ন প্লেট মিলিত হয়।
একাত্তর/এসি