চীনে ১৮ বছরের কম বয়সী শিশুদের দৈনিক স্মার্টফোন ব্যবহারের সময়সীমা বেঁধে দিতে চায় দেশটির সাইবারস্পেস নিয়ন্ত্রণ প্রশাসন (সিএসি)। এর ফলে দেশটিতে প্রযুক্তি কোম্পানিগুলোর শেয়ারে পতন দেখা গিয়েছে।
বুধবার তারা জানিয়েছে, শিশুদের দিনে সর্বোচ্চ দুই ঘণ্টা স্মার্টফোন ব্যবহার করা উচিত। শিশুদের জন্য স্মার্টফোনে একটি মাইনর মোড অন্তর্ভুক্ত করতে প্রস্তুতকারীদের আহবান জানিয়েছে তারা, যেখানে রাত ১০টা থেকে ভোর ছয়টা পর্যন্ত ফোনে ইন্টারনেট ব্যবহার করা যাবে না।
প্রস্তাবিত সংস্কারের অধীনে স্মার্টফোন সরবরাহকারীদেরও সময়সীমা নির্ধারণ করতে হবে বলে জানিয়েছে সিএসি।
এর অধীনে ১৬ থেকে ১৮ বছর বয়সী ব্যবহারকারীরা দিনে দুই ঘণ্টা, আট থেকে ১৬ বছর বয়সী শিশুরা এক ঘণ্টা সময় পাবে এবং আট বছরের কম বয়সী শিশুদের মাত্র আট মিনিটের অনুমতি দেওয়া হবে।
তবে পরিষেবা প্রদানকারী কর্তৃক অভিভাবকদের এ ধরাবাঁধা সময়সীমা থেকে বেরিয়ে আসার অনুমতি দেয়া উচিত বলেও পরামর্শ দিয়েছে তারা।
সিএসি তার খসড়া নির্দেশিকা প্রকাশ করার পর হংকংয়ে চীনা কারিগরি সংস্থাগুলোর বেশিরভাগেরই শেয়ারে দরপতন ঘটে। আগামী ২ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত খসড়াটি জনসাধারণের প্রতিক্রিয়ার জন্য উন্মুক্ত থাকবে।
সাংহাই শেনলুন আইন সংস্থার আইনজীবী জিয়া হাইলং বলেছেন, এই নিয়ম ইন্টারনেট সংস্থাগুলোর জন্য মাথাব্যথা হয়ে দাঁড়াবে।
তিনি বলেন, এসব নিয়মকানুন সঠিকভাবে বাস্তবায়নের জন্য বাড়তি খরচ ও প্রচেষ্টার প্রয়োজন হবে। এছাড়াও অনেক ইন্টারনেট কোম্পানি নাবালকদের তাদের পরিষেবা ব্যবহার থেকে সরাসরি নিষিদ্ধ করার কথা বিবেচনা করতে পারে।
আরও পড়ুন: কেনো বিচ্ছেদের পথে হাঁটলেন জাস্টিন ও সোফি?
সাম্প্রতিক সময়ে চীনা কর্তৃপক্ষ তরুণদের মধ্যে মায়োপিয়া এবং ইন্টারনেট আসক্তির হার নিয়ে উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছে।
২০২১ সালে, সরকার ১৮ বছরের কম বয়সী ভিডিওগেম প্লেয়ারদের জন্য কারফিউ জারি করে৷ এটি টেনসেন্টের মতো গেমিং জায়ান্টদের জন্য একটি বিশাল ধাক্কা ছিল।
একাত্তর/এসজে