পাস হওয়ার চার বছর পর সংশোধিত নাগরিকত্ব আইন (সিএএ) চালু হলো ভারতে।
লোকসভা ভোটের তফসিল ঘোষণার আগে সোমবার সন্ধ্যায় একটি বিজ্ঞপ্তি দিয়ে আনুষ্ঠানিক ভাবে সিএএ চালু হওয়ার কথা জানিয়ে দিল ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার। এনডিটিভির খবর।
২০১৯ সালে মোদির সরকারের পাস করা এই আইনে বলা হয়, বাংলাদেশ, পাকিস্তান ও আফগানিস্তানের মতো মুসলিম ধর্মাবলম্বী দেশ থেকে যদি সে দেশের ধর্মীয় সংখ্যালঘুরা (হিন্দু, খ্রিষ্টান, বৌদ্ধ, শিখ, জৈন ও পার্সি) ধর্মীয় উৎপীড়নের কারণে এ দেশে আশ্রয় চান, তা হলে তা দেবে ভারত। সংসদের দু’কক্ষে পাশ হওয়ার পরে দেশের তৎকালীন রাষ্ট্রপতি অনুমোদন দিয়েছিলেন সিএএ বিলে। কিন্তু এত দিন ধরে সিএএ কার্যকর করা নিয়ে কোনও বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়নি।
এই আইনের আওতায় ২০১৪ সালের ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে বাংলাদেশ, পাকিস্তান ও আফগানিস্তান থেকে যেসব হিন্দু, খ্রিষ্টান, বৌদ্ধ, শিখ, জৈন ও পার্সিধর্মীয় সংখ্যালঘু সাম্প্রদায়িক নির্যাতন ও নিপীড়নের কারণে ভারতে চলে এসেছেন, তাদের নাগরিকত্ব দেওয়া হবে।
ভারতের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এই বিজ্ঞপ্তি জারি করার ফলে আগামীকাল মঙ্গলবার থেকেই ওই তিন দেশ থেকে ভারতে আসা বাসিন্দারা নাগরিকত্ব পেতে আবেদন জানাতে পারবেন। আবেদন করতে হবে অনলাইনে।
পশ্চিমবঙ্গে এই আইনের ব্যাপক প্রভাব পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যদিও বলেছেন, রাজ্যে কিছুতেই সিএএ চালু হতে দেবেন না তিনি।
প্রসঙ্গত, ২০১৯-এ নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন (সিএএ) পাসের পর থেকেই দেশজুড়ে শুরু হয়েছিল বিক্ষোভ। এমনকি দাঙ্গাও বাঁধে দিল্লিতে। ২০২০ সালেও সিএএ বিরোধী ঝড় অব্যাহত থাকে।