করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকাতে ফাইজার-বায়োএনটেকের উদ্ভাবিত টিকার কার্যকারিতা কমেছে বলে জানিয়েছে ইসরাইল। জুন মাসের শেষ সপ্তাহ থেকে জুলাইয়ের শুরুর দিকে করোনা সংক্রমণ প্রতিরোধে ফাইজারের কার্যকরিতা ছিল মাত্র ৩৯ শতাংশ। যা জানুয়ারির শেষ থেকে এপ্রিলের শুরুতে ছিল ৯৫ শতাংশ।
ডেল্টা ভ্যারিয়েন্টের বিরুদ্ধে ফাইজারের টিকার কার্যকারিতা কিছুটা কমে যাওয়ার প্রতিবেদন প্রকাশের পর বৃহস্পতিবার (২২ জুলাই) নতুন করে এসব তথ্য জানালো ইসরায়েলের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়।
ইসরাইলের স্বাস্থ্য মন্ত্রনালয়ের বরাতে সংবাদমাধ্যম রইটার্স জানিয়েছে, গুরুতর রোগ ঠেকানোর ক্ষেত্রে ফাইজারের কার্যকারিতা কিছুটা কমলেও করোনার বিরুদ্ধে তা এখনও উচ্চ মাত্রায় কার্যকর। সামগ্রিকভাবে ফাইজারের কার্যকারিতা এখনও ৯০ শতাংশ। আর আক্রান্তদের হাসপাতালে ভর্তি ঠেকানোর ক্ষেত্রে টিকাটির কার্যকারিতা ৮৮ শতাংশ।
ক্লেইট হেলথ সার্ভিসেসের চিফ ইনোভেশন কর্মকর্তা ড. বালিশার জানান, তিনি ও তার সহকর্মীরা ইসরাইলে ফাইজারের কার্যকারিতা নিয়ে নিজস্ব গবেষণার কাজ করছেন। ক্লিটের স্বাস্থ্যসেবা রেকর্ড ব্যবহার করে এ গবেষণার কাজ চলছে।
ড. বালিশার বলেন, আমি মনে করি ফাইজারের কার্যকারিতা নিঃসন্দেহে হ্রাস পেয়েছে, তবে খণ্ড তথ্যের উপর ভিত্তি করে অনুমান কঠিন। আমরা তথ্যগুলো নিশ্চিত করার চেষ্টা চালাচ্ছি।
আরও পড়ুন: ফকির আলমগীরের মৃত্যুতে এমপি-মন্ত্রীদের শোক
ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যম ওয়াইনেট নিউজ এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, ফাইজারের দুই ডোজ টিকা গ্রহণকারী মোট ১১ লাখ ৫২ হাজার ৯১৪ জনের মধ্যে পাঁচ হাজার ৭৭০ জন করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। এদের ৪৯৫ জনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে, ৩৩৪ জনকে গুরুতর অবস্থায় ভর্তি করা হয় এবং ১২৩ জনের মৃত্যু হয়েছে।
তবে কার্যকারিতা কমলেও ইসরাইলের নাগরিদের টিকা গ্রহণ করতে উৎসাহিত করছে দেশটির প্রধানমন্ত্রী নাফতালি বেনেত। দেশের সবাইকে টিকা দেওয়া সম্ভব এবং সবাইকে টিকা নিতে হবে বলেও জানান তিনি।
একাত্তর/আরবিএস