ইরানের তিনটি পারমাণবিক স্থাপনায় শনিবার রাতে বোমা ফেলার কয়েক মিনিট আগে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেন বলে জানিয়েছেন দেশটির ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স। তিনি বলেন, মার্কিন প্রেসিডেন্ট শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত এই আক্রমণ বন্ধ করার ক্ষমতা রাখেন। তবে ইরানের হামলার তেমন কোন নাটকীয় কোন পদক্ষেপ না নিয়ে এগিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন।
যুক্তরাষ্ট্রের গণমাধ্যম এনবিসির ‘মিট দ্য প্রেস উইথ ক্রিস্টেন ওয়েলকার--এর সাথে এক সাক্ষাৎকারে ভ্যান্স বলেন, আমেরিকা এখন গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করছে, ইরান আমেরিকান সেনাদের উপর আক্রমণ করে, নাকি তার পারমাণবিক অস্ত্র কর্মসূচি চালিয়ে যায়।
বর্তমান পরিস্থিতিকে অত্যন্ত নাজুক মুহূর্ত বর্ণনা করে মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জানিয়েছেন, তিনি মনে করে ইরানের পরবর্তী পদক্ষেপ আগামী ২৪ ঘন্টার মধ্যে স্পষ্ট হয়ে যাবে, যা একটি।
ভ্যান্স বলেন, এখনও পর্যন্ত, যুক্তরাষ্ট্র ইরানীদের কাছ থেকে কিছু পরোক্ষ বার্তা পেয়েছে। যেমন প্রতিরক্ষা সচিব পিট হেগসেথ রোববারের শুরুতে বলেছিলেন যে, সরকারি ও ব্যক্তিগত উভয় বার্তাই সরাসরি ইরানিদের কাছে একাধিক চ্যানেলে পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে।
হরমুজ প্রণালীতে জাহাজ চলাচল ব্যাহত করার জন্য ইরান পদক্ষেপ নিলে, আমেরিকা কি ব্যবস্থা নেবে এমন এক প্রশ্নের জবাবে ভ্যান্স বলেন, তেহরান এমন ধরনের কোন পদক্ষেপ নিলে সেটি হবে আত্মঘাতী এবং উল্টো তাদের নিজস্ব অর্থনীতি ধ্বংস করবে। বিশ্ববাজারে ইরান একা হয়ে পড়বে।
ভ্যান্স পুনর্ব্যক্ত করেছেন যে, যুক্তরাষ্ট্রের স্থলভাগে সেনা মোতায়েনের কোনও আগ্রহ নেই এবং মার্কিন সম্পৃক্ততা আরও বাড়বে এমন উদ্বেগও উড়িয়ে দিয়েছেন। যদিও প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প হুশিয়ারী দিয়েছেন, ইরান শান্তির আলোচনায় না এলে, আরও হামলায় যাবেন তিনি এবং সেগুলো হবে অত্যান্ত নিখুঁত ও গতিময়।