রেড জোন থেকে বের হতে বাংলাদেশকে ব্রিটিশ স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের পাঁচ শর্ত

রেড জোনের তালিকা থেকে আম্বারে উন্নীত করতে বাংলাদেশকে ৫ শর্ত দিলো ব্রিটিশ স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। 

প্রায় চার মাসের বেশী সময় ব্রিটেনের ভ্রমণ তালিকায় বাংলাদেশ রেড জোনে থাকার কারণে বড়ো অংকের রাজস্ব থেকে বঞ্চিত হচ্ছে বিমান। এমনটাই জানিয়েছেন ব্রিটিশ বাংলাদেশী বিনিয়োগকারীরা। অন্যদিকে ব্রিটেনের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের পাঁচটি শর্ত পূরণ করতে না পারলে রেড থেকে সহসা আম্বারে যাবেনা বাংলাদেশ, ব্রিটেনে কুটনৈতিক পর্যায়ে বৈঠকের পর একাত্তরকে এমন শর্তের কথা নিশ্চিত করেছে বাংলাদেশ হাই কমিশন লন্ডন।

গত ৯ এপ্রিল থেকে যুক্তরাজ্য বাংলাদেশকে ভ্রমন তালিকার রেড জোনে লিপিবদ্ধ করার পর থেকে বড়ো ধরণের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছে বিমান ও বাংলাদেশে বিনিয়োগ রয়েছে এমন ব্যবসায়ীরা। সামার হলিডেতে সপ্তাহে চারটির পরিবর্তে চলছে একটি ফ্লাইট। চলতি সপ্তাহে লন্ডন—সিলেট রুটের ফ্লাইটে ২৮০ জন ধারণ ক্ষমতার বিমানে যাত্রী ছিলো মাত্র ৭৬ জন।

ব্রিটিশ বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স, বাংলাদেশ ক্যাটারার্স এসোসিয়েশন ও গ্রেটার সিলেট ওয়েলফেয়ার এসোসিয়েশনের নেতারা বাংলাদেশকে আম্বার জোনে নিতে না পারাকে কুটনৈতিক ব্যর্থতা হিসেবেই দেখছেন।

বাংলাদেশ হাই কমিশনের মিনস্টার প্রেস একাত্তরকে জানিয়েছেন, বাংলাদেশকে রেড জোন থেকে আম্বার জোনে নিতে ব্রিটেনের ফরেন অফিস ও স্বাস্থ্য বিভাগের সাথে হাই কমিশনারের বৈঠকের পর বাংলাদেশকে ৫টি শর্ত দিয়েছে ব্রিটেন ।

শর্ত গুলোর মধ্যে রয়েছে, প্রথম ডোজের ৩০ শতাংশ ও দ্বিতীয় ডোজের ১০ শতাংশ টিকা প্রদান নিশ্চিত করতে হবে। সংক্রমণ ও মৃত্যুর হার ১০ শতাংশে নামিয়ে আনতে হবে, নিয়মিত কভিড উনিশ সংক্রান্ত জেনম সিকুয়েন্সের তথ্য হালনাগাদ করতে হবে ও কভিড টেস্টের নমুনা সংগ্রহের পরিসর বৃদ্ধি করতে হবে বাংলাদেশকে।

এদিকে যুক্তরাজ্যের অফিস অব ন্যাশনাল স্ট্যাটিসটিক্সের ২৭ আগস্ট পর্যন্ত তথ্য অনুযায়ী বাংলাদেশে প্রতি এক লাখে করোনা আক্রান্ত হয়ে যেখানে  ১৬ জনের মৃত্যু হচ্ছে, সেখানে ভারতে মৃত্যু হচেছ ৩২ জনের, তবুও ভারত আম্বার জোনে প্রবেশ করলেও বাংলাদেশ রয়ে গেছে রেড জোনে। 


একাত্তর/এআর