যৌন হয়রানি রোধে সব প্রতিষ্ঠানে কমিটি গঠনের তথ্য চায় হাইকোর্ট

আদালতের রায় অনুসারে শিক্ষাঙ্গনসহ দেশের সব সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে নারী ও শিশুদের যৌন হয়রানি প্রতিরোধে কমিটি গঠনের নির্দেশনা বাস্তবায়নে গৃহীত পদক্ষেপ সম্পর্কে জানতে চেয়েছেন হাইকোর্ট। আগামী তিন মাসের মধ্যে এ বিষয়ে প্রতিবেদন দাখিল করতে বলেছেন আদালত। একইসঙ্গে যৌন হয়রানি প্রতিরোধে সরকারি-বেসরকারি অফিসে কমিটি গঠনে কেন নির্দেশ দেওয়া হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট।

এক রিট আবেদনের প্রাথমিক শুনানি নিয়ে রবিবার (৯ জানুয়ারি) বিচারপতি ফারাহ মাহবুব ও বিচারপতি এস এম মনিরুজ্জামানের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ রুল-সহ এ আদেশ দেন। আদালতে রিট আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী সৈয়দা নাসরিন ও শাহীনুজ্জামান।

এর আগে ২০০৮ সালের ৭ আগস্ট বাংলাদেশ জাতীয় মহিলা আইনজীবী সমিতির নির্বাহী পরিচালক অ্যাডভোকেট সালমা আলী কর্মস্থল এবং শিক্ষাঙ্গনে নারী ও শিশুদের যৌন হয়রানি প্রতিরোধের জন্য দিকনির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে জনস্বার্থে একটি রিট দায়ের করেন। শুনানি শেষে ২০০৯ সালের ১৪ মে  রায় দেন বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনের নেতৃত্বাধীন হাইকোর্ট বেঞ্চ।

ওই রায়ে হাইকোর্ট দেশের সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান-সহ সব প্রতিষ্ঠানে যৌন হয়রানি প্রতিরোধে অভিযোগ গ্রহণের জন্য যৌন হয়রানি প্রতিরোধ কমিটিসহ বিভিন্ন নির্দেশনা দেন।

তবে এরপর আর সেই নির্দেশনা বাস্তবায়ন না করায় ২০২১ সালের ২১ অক্টোবর আদালতের পূর্বের নির্দেশনা বাস্তবায়নের বিষয়ে জানতে চেয়ে এ রিট দায়ের করে আইন ও সালিশ কেন্দ্র (আসক)।

রিটে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সচিবসহ ৪০ মন্ত্রণালয়ের সচিব, সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেল, বার কাউন্সিল ও বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনকে বিবাদী করা হয়।


একাত্তর/এসএ