সৌর ঝড়। সূর্যের মধ্যে নানা ধরনের বিস্ফোরণের কারণে সৃষ্ট এই ঝড় নিয়ে গত কয়েক দশক ধরে গবেষকরা বেশ চিন্তিত। তাদের মতে সৌর ঝড় হল একটি ধ্বংসলীলা।
গবেষকদের মতে, যদি কোনও সৌর ঝড় পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলে প্রবেশ না-ও করে, তার পরেও তা পৃথিবীর বৈদ্যুতিক ক্ষেত্র এবং ইলেকট্রনিক অবকাঠামোতে প্রভাব ফেলার ক্ষমতা রাখে।
সৌর ঝড়ের প্রভাব অত্যন্ত গুরুতর ও ব্যয়বহুল। তেমনই এক সৌর ঝড়ের মুখোমুখি পৃথিবী। বুধ ও বৃহস্পতিবার সৌর বিকিরণ ঝড় সামাল দিতে হবে পৃথিবীকে।
ন্যাশনাল ওশেনিক অ্যান্ড অ্যাটমোস্ফিয়ারিক অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের অধীনে মহাকাশ আবহাওয়ার পূর্বাভাস কেন্দ্র এই কথা জানিয়েছে।
এই পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, ৩ এপ্রিল সূর্যের মধ্যে থাকা গিরিখাতে বড় ধরনের বিস্ফোরণ হবার কারণে সৌরমন্ডলে প্লাজমা ছড়াচ্ছে সূর্য। যা ধয়ে যাচ্ছে সূর্যের অধীনের সব গ্রহে।
সেই কারণে বাদ যাচ্ছে না পৃথিবীরও। বুধ ও বৃহস্পতিবার পৃথিবীকে হজম করতে হবে একটি সৌর ঝড়, যা ভূ-চৌম্বকীয় ঝড় হিসাবেও উল্লেখ করা হয়ে থাকে।
তবে, মহাকাশ আবহাওয়ার পূর্বাভাস কেন্দ্র জানিয়েছে এবারের সৌর ঝড়টি খুব বেশি মাত্রার নয়। তারা এবারের ঝড়টিকে জি-১ মাত্রা হিসাবে চিহ্নিত করেছে। সর্বোচ্চ মাত্রা হচ্ছে জি-৫।
সূর্যের কেন্দ্রীভূত অগ্নিপিন্ডের বিস্ফোরণ থেকে করোনাল ভর নির্গমনের ফলে ভূ-চৌম্বকীয় ঝড়ের সতর্কতা জারি করা হয়েছে। ফলে পৃথিবীতে একটি সৌর বিকিরণ ঝড় হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
সৌর ঝড়ের কারণে পৃথিবীর সবচেয়ে কাছ দিয়ে ঘুরে চলা কৃত্রিম উপগ্রহ বা স্যাটেলাইটসহ, সব বড় বিদ্যুৎ কেন্দ্র এবং রেডিও কার্যকালাপ সাময়িকভাবে বাধার মুখোমুখি হতে পারে।
একাত্তর/এআর