স্মার্ট বাংলাদেশের হাওয়া লেগেছে ঈদের কেনাকাটায়। ক্যাশটাকা ছাড়াই হাতের মুঠোফোনে লেনদেন সারছেন বহু ক্রেতা।
বিক্রেতারা বলছেন, টাকা ভাংতি করার ঝামেলা থেকে বাঁচতে আর ক্যাশব্যাক অফার পেতে আগের যেকোনো সময়ের তুলনায় এবার ডিজিটাল লেনদেন বেশি হচ্ছে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, প্রযুক্তিনির্ভর এমন লেনদেনের ফলে ঈদের সময় ছিনতাই কমে আসবে।
রিফাত আরা ইসলাম। রাজধানীর যমুনা ফিউচার পার্কে এসেছেন ঈদের শপিং করতে। ঘুরে ঘুরে পছন্দের জিনিসগুলো নিচ্ছেন। পেমেন্টের জন্য যখন কাউন্টারে এলেন কাগজের নোটের সন্ধান না করেই, হাতের মুঠোফোনেই শেষ করলেন লেনদেন, মুহূর্তেই।
তিনি একাত্তরকে বলেন, ডিজিটাল লেনদেন আমার মনে হয় খুবই সহজ এবং ঝামেলামুক্ত। ক্যাশ বহন করতে হয়না।
রিফাতের মতন অনেক ক্রেতারাই ঈদের কেনাকাটায় মানিব্যাগের চেয়ে হাতের মুঠোফোন বেশি ব্যবহার করছেন। জানান, হাজার টাকার নোট ভাংতি না থাকা, অচল বা নকল টাকা পাবার শঙ্কা কিংবা দ্রুত পেমেন্টের জন্য ডিজিটাল প্লাটফর্ম এখন বড় ভরসা।
আরো কয়েকজন ক্রেতা জানান, টাকা বহন করা, হারানো বা ছিনতাইয়ের মতো ঘটনা কমছে এবং এতে তারা খুশি।
বিক্রেতারা বলছেন, দিনে সর্বোচ্চ আশি শতাংশ পর্যন্ত লেনদেন হচ্ছে কার্ড কিংবা বিকাশের মতন প্লাটফর্মগুলো থেকে।
বেশ কয়েকজন বিক্রেতা জানান, বর্তমান সময়ে একলাখ টাকা বিক্রি হলে- এর মধ্যে ৮০ হাজারই হয় ডিজিটাল লেনদেন। ক্রেতা এখন ডিজিটাল পেমেন্ট করতে বেশ স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন।
ক্যাশটাকা ছাড়া লেনদেনে মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ স্মার্ট বাংলাদেশের জন্য বড় আশার, বলছেন প্রযুক্তিখাত সংশ্লিষ্টরা।
আরও পড়ুন: কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার বিকাশ বন্ধে খোলা চিঠি
তথ্যপ্রযুক্তি বিশেষজ্ঞ সুমন আহমেদ সাবির বলেন, অনেকে মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে জাকাত বা সাদকার মতো বিষয়গুলোও সারছেন।
তবে মুঠোফোনে পেমেন্টের সময় ব্যবহারকারীর সচেতনতার পাশাপাশি প্রযুক্তিগত সক্ষমতার সর্বোচ্চ ব্যবহারের তাগিদ দিচ্ছেন প্রযুক্তিবিদরা।
একাত্তর/আরএ