গ্রাহকদের অব্যবহৃত মোবাইল ইন্টারনেটের কী হবে?

সারাদেশে মোবাইল ইন্টারনেট বন্ধ রয়েছে। আগে কেনা মোবাইলের অব্যবহৃত ইন্টারনেট ডেটার কী হবে তা নিয়ে অনিশ্চয়তার মধ্যে রয়েছেন মোবাইল ইন্টারনেট ব্যবহারকারীরা। তবে, এক্ষেত্রে মোবাইল কোম্পানিগুলো আশার আলো দেখিয়েছে।

গ্রামীণ ফোন, রবি ও বাংলালিংকের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে কোম্পানিগুলো গণমাধ্যমকে জানিয়েছে, তারা গ্রাহকের স্বার্থকে প্রাধান্য দিয়েই সিদ্ধান্ত নেবে। এজন্য তারা মোবাইল ইন্টারনেট চালু হওয়ার সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় রয়েছে।

গত ২৩ জুলাই রাত থেকে সীমিত পরিসরে ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট চালু হলেও মোবাইল ইন্টারনেটের বিষয়ে এখনও সরকারের পক্ষ থেকে কোনো সিদ্ধান্ত আসেনি। তবে, রোব বা সোমবার নাগাদ মোবাইল ইন্টারনেট চালু হতে পারে বলে সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।

সারা দেশে বর্তমানে মোবাইল ইন্টারনেট গ্রাহকের সংখ্যা প্রায় ১১ কোটি। মোবাইলে ডেটার অব্যবহৃত থাকার পরও মেয়াদ শেষ হলে তা আর ব্যবহার করা যায় না। যার ফলে মোবাইলে ডেটা ইন্টারনেট ব্যবহারকারী গ্রাহকরা পড়েছেন বিপাকে। বিপুল পরিমাণ অব্যবহৃত ডেটা হারানোর আশঙ্কায় আছেন তারা।

কোটাবিরোধী আন্দোলনকে কেন্দ্র করে গত ১৬ জুলাই সন্ধ্যা থেকে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় এবং গুরুত্বপূর্ণ কলেজ এলাকায় মোবাইল ইন্টারনেটের ফোরজি সেবা সীমিত করা হয়। পরদিন ১৭ জুলাই থেকে সারাদেশে বন্ধ করে দেওয়া হয় ইন্টারনেট সেবা। বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রক সংস্থা-বিটিআরসির নির্দেশে অপারেটররা এ পদক্ষেপ নেয়।