ঢাকা ০৩ ডিসেম্বর ২০২১, ১৯ অগ্রহায়ণ ১৪২৮

সাকিব-মুস্তাফিজের আইপিএল অভিজ্ঞতা কাজে লাগাতে হবে বিশ্বকাপে

খালিদ জামিল, একাত্তর
প্রকাশ: ১৩ অক্টোবর ২০২১ ১১:১৬:৩০ আপডেট: ১৩ অক্টোবর ২০২১ ১১:৫৪:২৩
সাকিব-মুস্তাফিজের আইপিএল অভিজ্ঞতা কাজে লাগাতে হবে বিশ্বকাপে

শেষ ভালো যার সব ভালো তার। আরও অনেক কিছুর মতো কথাটা খাটে টি-টুয়েন্টি ক্রিকেটের বেলায়। সাউথ আফ্রিকান ব্যাটসম্যান এইডেন মার্ক্রাম বলছেন, এই ফরম্যাটে শুরুটা কেমন করলেন তা ব্যাপার না, তবে নিজের কাজটা ঠিকঠাক শেষ করে আসতে হবে, আর আইপিএলে সেটা করতেই অভ্যস্ত হয়েছে ক্রিকেটাররা। বাংলাদেশের জন্য স্বস্তির খবর, ওই ফিনিশিংয়ের চাপটা সামলানোর অভিজ্ঞতা সাকিব আর মোস্তাফিজেরও হয়েছে, জাতীয় দলে সেটা কাজে লাগানো যাবে তো? 

আইপিএলে বেশিরভাগ ম্যাচেই সাইডলাইনে বসে থাকা, টি-টুয়েন্টি ক্রিকেটে সম্প্রতি আলো ছড়াতে না পারা, এসব কথা না হয় এখন তোলাই থাক। এলিমিনেটর ম্যাচে ক্যাপ্টেন ওয়েন মর্গান যখন ধুঁকছিলেন, সাকিব আল হাসানই এলেন ত্রাতার ভূমিকায়, ছয় বলে সাকিবের ৯ রানের ইনিংস রয়েল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালুরুকে বিদায় করে সেকেন্ড কোয়ালিফায়ারে তোলে কলকাতাকে। ওই ম্যাচে ২১ রান দিয়ে চার উইকেট নিয়ে সুনীল নারিন প্লেয়ার অব দ্য ম্যাচ হয়েছেন ঠিক। তবে শেষটার জন্য নায়ক হয়ে গেছেন সাকিবই। 

এই শেষটা ভালোভাবে করার কথা বলছেন পাঞ্জাব কিংসের প্রোটিয়া ব্যাটার এইডেন মার্ক্রামও। প্রোটিয়া ক্রিকেটার বলছেন, নিজের কাজটা যদি দলের একজন খেলোয়াড় পুরোপুরি শেষ করতে পারে, তবে বর্তে যাওয়ার সম্ভাবনা অনেক বেশি থাকে। 

আরও পড়ুন: লঙ্কানদের বিপক্ষে হার দিয়ে শুরু টাইগারদের বিশ্বকাপ প্রস্তুতি

"ম্যাচ সিচুয়েশন সব সময় একরকম থাকে না। হয়তো আমি যখন ব্যাট করতে নামছি তখন দল ৩০ রানে তিন উইকেট হারিয়ে ধুকছে। আমারও শুরুটা ভালো নাও হতে পারে। তবে নিজের কাজ শেষ করে আসাটাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। আর আইপিএল খেলে সেই চর্চাটা ভালোভাবেই হয়েছে।" 

এই শেষটা ভালো করার ব্যাপারে মুস্তাফিজের জুড়ি মেলা ভার। দিনে দিনে কাটার মাস্টার হয়ে উঠেছেন ডেথ ওভার স্পেশালিস্ট। দলের কোর বোলার হিসেবে শুরুটাও অনেক ক্ষেত্রে তাকেই করতে হয়েছে রাজস্থান রয়্যালসের হয়ে। আইপিএলের তাঁবু থেকে এখন জাতীয় দলের ডেরায় মোস্তাফিজ। সাকিবের মতো নিশ্চয় আন্ডার প্রেশারে খেলার অভিজ্ঞতা তারও হয়েছে। 

টি-টুয়েন্টি ম্যাচের শেষটা নিজেদের নিয়ন্ত্রণে কীভাবে নিতে হয় তার রেওয়াজ তো হয়েছে, নিজেদের অভিজ্ঞতা সাকিব-মুস্তাফিজ আসন্ন টি-টুয়েন্টি বিশ্বকাপেও নিশ্চয় কাজে লাগাতে চাইবেন। 

সাকিব আল হাসান বাংলাদেশ দলে ব্যাট করবেন নাম্বার থ্রিতে- ব্যাট হাতে সেই ২০১৯ বিশ্বকাপের মতো জ্বলে উঠতে পারলে টাইগারদের শুরুটা হতে পারে দুর্দান্ত। আর বল হাতে মুস্তার চিরাচরিত ফিনিশিং টাচ প্রবল পরাশক্তিকেও করতে পারে কচুকাটা। আসন্ন বিশ্বকাপে সেটাই সবচেয়ে বেশি প্রত্যাশিত। 


একাত্তর/এসজে

মন্তব্য

এই নিবন্ধটি জন্য কোন মন্তব্য নেই.

আপনার মন্তব্য লিখুন