ঢাকা ৩০ নভেম্বর ২০২১, ১৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৮

বালাসী-বাহাদুরাবাদ নৌরুট

১৩৪ কোটি ব্যয়ের পর জানা গেলো চলবে না ফেরি

শামীম আল সাম্য, গাইবান্ধা
প্রকাশ: ১৩ অক্টোবর ২০২১ ১৯:০১:১১ আপডেট: ১৩ অক্টোবর ২০২১ ১৯:১৩:২৭
১৩৪ কোটি ব্যয়ের পর জানা গেলো চলবে না ফেরি

গাইবান্ধা জেলার বালাসী থেকে জামালপুর জেলার বাহাদুরাবাদ পর্যন্ত ফেরিঘাট প্রকেল্পর কাজ শুরু হয় ২০১৮ সালে। দুই দফায় প্রকল্পটির ব্যয় ও মেয়াদও বাড়ানো হয়।

গত জুনে ১৪৫ কোটি টাকার প্রকল্পটি শেষ হয়। এমন সময়ে বালাসী-বাহাদুরাবাদ রুট ফেরি চলাচলের উপযোগী নয় বলে প্রতিবেদন দেয় বিআইডব্লিউটিএ’র কারিগরি কমিটি।

এতে প্রতিবাদে মুখর হয়ে উঠেছে ফুলছড়িবাসীসহ পুরো জেলার মানুষ। তবে বিআইডব্লিউটিএ চেয়ারম্যান জানিয়েছেন, এই সিদ্ধান্ত এখনো চূড়ান্ত নয়। 

গাইবান্ধার ফুলছড়ি উপজেলার বালাসী গ্রাম থেকে জামালপুরের বাহাদুরাবাদ পর্যন্ত ফেরি, রেলসেতু অথবা টানেল নির্মাণের দাবি প্রায় দুই যুগের। 

দীর্ঘ দিনের এই দাবির মুখে ২০১৮ সালে 'বালাসী ও বাহাদুরাবাদ ফেরিঘাটসহ আনুষঙ্গিক স্থাপনাদি নির্মাণ’ প্রকল্পের আওতায় শুরু হয় ফেরিঘাট তৈরি কাজ। 

জমি অধিগ্রহণ, টার্মিনাল, পার্কিং ইয়ার্ড, ফেরিঘাট, ইন্টারনাল রোড ও বিভিন্ন অবকাঠামো নির্মাণ প্রায় শেষ।

গত আগষ্টে প্রকল্পের শেষ সময় নাব্য সংকটসহ বিভিন্ন ত্রুটি দেখিয়ে এই পথে ফেরি  চলাচল সম্ভব নয় বলে সুপারিশ করে বিআইডাব্লিউটিএ-এর কারিগরি কমিটি। 

এর প্রতিবাদ করেন এলাকার মানুষ। আর, বিক্ষোভ ও সড়ক অবরোধ করে সমাবেশ করেছে গাইবান্ধা নাগরিক মঞ্চ।

জেলার নাগরিকদের প্রশ্ন, কেন বিপুল অর্থের একটি প্রকল্প কোনো যাচাই-বাছাই ও সম্ভাব্যতা পরীক্ষা ছাড়াই টাকাগুলো ব্যয় করা হলো? নাকি লুটপাটের স্বার্থে এ প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হয়েছে। গাইবান্ধার মানুষ তা জানতে চায়।

সম্প্রতি প্রকল্প এলাকা পরিদর্শনে এসে ফেরিঘাট চালুর জন্য চেষ্টা চলছে বলে জানান বিআইডব্লিউটিএ’র চেয়ারম্যান কমডোর গোলাম সাদেক।

২০১৮ সালের ১৮ মার্চ কাজের উদ্বোধন হয়। প্রকল্প খরচ ধরা হয় ১২৪ কোটি ৭৭ লাখ টাকা। দুইবার প্রকল্প সংশোধন করে খরচ বেড়ে দাঁড়ায় ১৪৫ কোটি ২ লাখ টাকায়। যার মেয়াদ ২০২১ সালের জুন পর্যন্ত।



একাত্তর/এআর

মন্তব্য

এই নিবন্ধটি জন্য কোন মন্তব্য নেই.

আপনার মন্তব্য লিখুন