ঢাকা ০৩ জুলাই ২০২২, ১৯ আষাঢ় ১৪২৯

পণ্যের দাম বাড়লেও, বাড়ছে না খাবারের দাম

নিজস্ব প্রতিবেদক, একাত্তর
প্রকাশ: ০৪ নভেম্বর ২০২১ ১২:০৬:০৭ আপডেট: ০৪ নভেম্বর ২০২১ ১৬:০৯:৩৯
পণ্যের দাম বাড়লেও, বাড়ছে না খাবারের দাম

দ্রব্যমূল্যের উর্দ্ধগতিতে বিপাকে রেঁস্তোরা ব্যবসা। তেল চিনি মুরগি, সালাদ সামগ্রী, ডিমসহ প্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বাড়লেও, বাড়ানো সম্ভব হচ্ছে না খাবারের দাম। ব্যবসায়ীরা বলছেন, করোনার আঘাতে ক্রেতাদের আর্থিক অবস্থা নাজুক। এ অবস্থায় পণ্য মূল্য বাড়ানো সম্ভব নয়। ফলে সহসা রেস্তরাঁ ব্যবসায়েও ফিরছেনা গতি। 

শুধু খাবার নয়, গ্রাহক টানতে রেঁস্তরা ব্যবসায় আকর্ষণীয় অন্দরসজ্জাও প্রয়োজন। তাই বিশাল প্রাঙ্গণে ইন্টেরিয়র ডিজাইন, বাগান কিংবা কৃত্রিম ঝর্ণার পাশাপাশি থাকতে হয় দক্ষ রাঁধুনি আর সার্ভিস প্রোভাইডার দল।


এতো বড় বিনিয়োগ সামাল দিতে না পেরে করোনার সময় অনেকেই রেঁস্তোরা ব্যবসা গুটিয়ে নেন। তবে করোনার প্রকোপ কমায় ধীরে ধীরে রেঁস্তরাগুলোতে গ্রাহক বাড়ছে। আর ব্যবসায়ীরা বলছেন, দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্ব গতির কারণে ব্যবসা চালাতে হিমশিম খাচ্ছেন তারা।

বলেন, গেল কয়েক মাস ধরেই বাড়ছে মুরগির দাম। ৯০ থেকে ১০০ টাকা লিটারের তেল ঠেকেছে ১৭০ টাকায়। ৬০ টাকার চিনি খুচরায় ৯০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। মরিচ, শশা, ক্যাপসিকামের মতো সালাদ সামগ্রীর দামও বাড়তি। তারপরও ক্রেতাদের আর্থিক সক্ষমতা কমায় খাবারের দাম বাড়াননি তারা।


করোনার আগে যে রেঁস্তরাগুলোতে সকাল সন্ধ্যা ভিড় থাকতো, এখন আকর্ষণীয় অফারও সেখানে ক্রেতা টানতে পারছে না। কারওয়ানবাজারের রেইনি রুফ নামের এই রেঁস্তরা বড় পর্দায় টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ খেলা দেখার ব্যবস্থা করেছে। পাশপাশি খাবারে ১৫ শতাংশ ছাড়ও দিয়েছে। তারপরও ক্রেতার দেখা মিলছে না। 

আয়োজকরা বলছেন, ব্যবসা বাড়াতে তাদের এ আয়োজনে উল্টো লোকসান গুনতে হচ্ছে। খাত সংশ্লিষ্টরা জানান, করোনার ক্ষতি কাটাতে সরকার নানা প্রণোদনা দিলেও, তাদের জন্য কোন প্রণোদনা ছিল না। লোকসান কাটাতে প্রণোদনার দাবি জানান তারা।

একাত্তর/ এনএ


মন্তব্য

এই নিবন্ধটি জন্য কোন মন্তব্য নেই.

আপনার মন্তব্য লিখুন

বাতাস যখন ভয়ঙ্কর-২

বাতাস যখন ভয়ঙ্কর-২

২ দিন ১ ঘন্টা আগে