ঢাকা ০৫ জুলাই ২০২২, ২১ আষাঢ় ১৪২৯

কৃষি, প্রযুক্তি ও সবুজ অর্থায়নে জোর দেয়ার তাগাদা

কাবেরী মৈত্রেয়, একাত্তর
প্রকাশ: ২১ নভেম্বর ২০২১ ২০:৫২:১৪
কৃষি, প্রযুক্তি ও সবুজ অর্থায়নে জোর দেয়ার তাগাদা

উচ্চ মধ্যম কিংবা উচ্চ আয়ের দেশে উত্তরণে বাংলাদেশকে কৃষি, প্রযুক্তি আর সবুজ অর্থায়নে জোর দিতে হবে। নিশ্চিত করতে হবে দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণের সহায়ক পরিবেশ। 

রোববার (২১ নভেম্বর) রাজধানীর শেরাটন হোটেলে ফরেন ইনভেস্টর চেম্বার অব কর্মাস অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (এফআইসিসিআই) আয়োজিত এক আলোচনা সভায় এমনটাই জানিয়েছের বক্তারা। 

গেলো এক দশকে আর্থ-সামাজিক কিংবা অর্থনৈতিক দিকে থেকে এগিয়েছে বাংলাদেশ । লক্ষ্য এখন বাড়তি বিনিয়োগ, রপ্তানি আর কর্মসংস্থানের মাধ্যমে ২০৩০ সালে উচ্চ মধ্যম আয়ের দেশ আর ৪১ সাল নাগাদ উন্নত দেশের কাতারে যাবার।

তবে লক্ষ্যপূরণে অনেকটা পথ যে হাঁটতে হবে, তাই জানান দিলো বহুজাতিক প্রতিষ্ঠানগুলোর সংগঠন- এফসিসিআই। তাদের গবেষণা বলছে, সময়ের আগেই জিডিপির অনুপাতে বিনিয়োগ ২৯ দশমিক ৯ থেকে বাড়িয়ে নিতে হবে প্রায় ৫০ শতাংশে। যেখানে বেসরকারি বিনিয়োগকে হতে হবে জিডিপির ৩৬.৩ আর বিদেশি তিন শতাংশ। 

মেট্রোপলিটন চেম্বার অব কমার্স ইন্ডাস্ট্রির প্রেসিডেন্ট নিহাদ কবির বলেন, বেসরকারি খাত শিল্প বহুমুখীকরণে বিশেষ ভূমিকা রেখেছে। নীতিমালা অনুকূলে থাকায় এটা করা সম্ভব হয়েছে।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান বলেন, ‘আমরা বিনিয়োগকারীদের স্বাগত জানাবো। কারণ আমাদের সক্ষমতা অনেক বেড়েছে। আমরা নিজস্ব অর্থায়নে পদ্মা সেতু বাস্তবায়নের মাধ্যমে ১৬ কোটি মানুষের স্বপ্ন যেমন পূরণ করেছি তেমনি বাংলাদেশের সক্ষমতাও প্রমাণিত হয়েছে। রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র ও পায়রা সমুদ্র বন্দরসহ মেগা প্রকল্পগুলোর মাধ্যমে আগামীতে বদলে যাবে বাংলাদেশের চিত্র। প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে এগিয়ে চলেছি আমরা। এখন শুধু কাজ করে যেতে হবে’।  

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম বলেন, পোশাক খাত এদেশকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে। বর্তমানে জাপান, চীন, ভারতে প্রচুর রপ্তানির সম্ভাবনা রয়েছে। এটিকে কাজে লাগাতে হবে। সেই সঙ্গে জিএসপি প্লাস সুবিধা পাওয়ার সে প্রচেষ্টা অব্যাহত।

প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান বলেন, নতুন বাংলাদেশ গড়ার সময় এখনই। বাণিজ্য সংগঠনগুলো এজন্য নিরলসভাবে কাজ করছে। টেকসই অর্থনীতির জন্য আমাদের নতুন নতুন খাতে বিনিয়োগ বাড়াতে হবে। এর মধ্যে অ্যাগ্রো প্রসেসিং শিল্প এবং গ্রামীণ অর্থায়নের দিকে যেতে হবে।

আর, বাংলাদেশ এশিয়ার দ্রুত বর্ধনশীল অর্থনীতি, এ শক্তিকে কাজে লাগিয়ে বিনিয়োগ হার বাড়াতে নীতি সংস্কারের তাগিদ দেন বিদেশি কুটনীতিকরা। 

আগামীর সম্ভাবনা বিবেচনা করে এগ্রোবিজনেস, ডিজিটাল অর্থনীতি, সবুজ অর্থায়নকে গুরুত্ব দিয়ে ফরেন ইনভেস্টরস চেম্বারের গবেষণা প্রতিবেদনকে সময়োপযোগী বলছেন সরকারের নীতি নির্ধারকরা। সংগঠনটিও জানিয়েছে, তারা বিনিয়োগ বৃদ্ধিতে সরকারের সাথে নিবিড়ভাবে কাজ করতে চায়। তাদের প্রত্যাশা নীতি সংস্কারের সূফল মাঠ পর্যায়ের বাস্তবতায় রূপ নিবে।



একাত্তর/এসএ

মন্তব্য

এই নিবন্ধটি জন্য কোন মন্তব্য নেই.

আপনার মন্তব্য লিখুন

বাতাস যখন ভয়ঙ্কর-২

বাতাস যখন ভয়ঙ্কর-২

৩ দিন ১৪ ঘন্টা আগে