ঢাকা ০১ জুলাই ২০২২, ১৭ আষাঢ় ১৪২৯

বিজয়ের ৫০ বছরে বাংলাদেশের শেয়ারবাজার

তৃষ্ণা হোমরায়, একাত্তর
প্রকাশ: ১৮ ডিসেম্বর ২০২১ ২০:০৩:১৩ আপডেট: ১৮ ডিসেম্বর ২০২১ ২০:৩১:২৩
বিজয়ের ৫০ বছরে বাংলাদেশের শেয়ারবাজার

স্বাধীনতার পর পাঁচ বছর বাদ দিয়ে গত ৪৫ বছর ধরে দেশে শেয়ারবাজার চালু আছে। জিডিপির তুলনায় ছোট হলেও এশিয়ার উদীয়মান অর্থনীতির দেশগুলোর মধ্যে শীর্ষে রয়েছে বাংলাদেশের শেয়াবাজার। গেলো বছরও যেখানে পাকিস্তানের শেয়ারবাজারে গড় মুনাফা হয়েছে মাত্র পাঁচ দশমিক দুই শতাংশ, সেখানে বাংলাদেশে ২৩ শতাংশ। 

শুরুর কথা

শুরুটা ১৯৫৬ সালে, নারায়ণগঞ্জে। ইস্ট পাকিস্তান স্টক এক্সচেঞ্জ অ্যাসোসিয়েশনে মাত্র ৯টি কোম্পানি নিয়ে লেনদেন চালু হয়। যাদের মূলধন ছিল প্রায় ১৮ কোটি টাকা। ১৯৬২ সালে সেটিই পাবলিক লিমিটেড কোম্পানি হয়ে পাকিস্তান স্টক এক্সচেঞ্জ হয়। ১৯৬৪ সালে আবারও নাম পরিবর্তন করে হয় ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ লিমিটেড। 

মুক্তিযুদ্ধের পর থেকে এ পর্যন্ত

মুক্তিযুদ্ধের পর ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে পাঁচ বছর লেনদেন বন্ধ ছিল। ১৯৭৬ সালে আবারও সেটি চালু হয়। সময়ের রোলার কোস্টারে চড়ে দেশের শেয়ারবাজার আজ এশিয়ার উদীয়মান অর্থনীতির দেশগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি মুনাফার জায়গা। যেখানে ৩৪৫টি কোম্পানি তালিকাভুক্ত। বাজার মূলধন এখন প্রায় পাঁচ লাখ ৫২ হাজার কোটি টাকা। ডিএসইর প্রধান সূচক পার করেছে সাত হাজার পয়েন্টের ঘর। 


বীরমুক্তিযোদ্ধা, আর্থিক খাতের উদ্যোক্ত ও সংসদ সদস্য কাজী ফিরোজ রশীদ বলেন, এতোকিছুর পরও মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মননা না দেওয়া, শেয়ার কারসাজিকারীদের বিচার না হওয়ার বিষয়গুলো দুঃখজনক। 

অপরদিকে বিএসইসি চেয়ারম্যান অধ্যাপক শিবলী রুবাইয়াত উল ইসলামের দাবি, ১৯৯৬ ও ২০১০ সালে বড়ো দুটি ধসের পর সরকারের দেওয়া প্রণোদনা এবং নিয়ন্ত্রক সংস্থার নানা পদক্ষেপে আবারও ঘুরে দাঁড়িয়েছে পুঁজিবাজার। ফিরেছে বিনিয়োগকারীদের আস্থা। 

শেয়ারবাজার বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক আবু আহমেদ বলেন, এখনও বাজারে ভালো শেয়ারের অভাব রয়েছে। তালিকাভুক্ত করা যায়নি ইউনিলিভারসহ অনেক বড়ো বহুজাতিক কোম্পানিকে।

আরও পড়ুন: ড. মোস্তাফিজের সাক্ষাতকার: বাজার ও ভূরাজনৈতিক পরিবর্তন গুরুত্ব দিয়ে ভাবতে হবে

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, সিকিউরিটিজ আইনে কোনো কোম্পানির পরিশোধিত মূলধন ৫০ কোটির বেশি হলেই এক বছরের মধ্যে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্তির বাধ্যবাধকতা আছে। বর্তমানে দেশে নিবন্ধিত কোম্পানি রয়েছে দুই লাখ ৪৫ হাজার ৬৫৫টি। এর মধ্যে এক হাজারেরও বেশি কোম্পানির পরিশোধিত মূলধন ৫০ কোটি টাকার বেশি। 


একাত্তর/এসি

মন্তব্য

এই নিবন্ধটি জন্য কোন মন্তব্য নেই.

আপনার মন্তব্য লিখুন