ঢাকা ১৮ মে ২০২২, ৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৯

কক্সবাজারে পর্যটক ধর্ষণের আরেক আসামি গ্রেপ্তার

নিজস্ব প্রতিনিধি, কক্সবাজার
প্রকাশ: ০৪ জানুয়ারী ২০২২ ০৯:৫১:৩২ আপডেট: ০৪ জানুয়ারী ২০২২ ১১:৩৭:২১
কক্সবাজারে পর্যটক ধর্ষণের আরেক আসামি গ্রেপ্তার

কক্সবাজারের আলোচিত সংঘবদ্ধ ধর্ষণ মামলার এজাহারনামীয় পলাতক আসামি মেহেদী হাসান বাবুকে (২৫) গ্রেপ্তার করেছে ট্যুরিস্ট পুলিশ। 

সোমবার (৩ জানুয়ারি) রাত সাড়ে ৮টার দিকে তাকে ঘোনাপাড়া এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করে ট্যুরিস্ট পুলিশের একটি দল। সে কক্সবাজার পৌরসভার বাহারছড়া এলাকার আবুল কাশেমের ছেলে।

তদন্তকারী সংস্থা ট্যুরিস্ট পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মহিউদ্দিন আহমেদ এই তথ্য নিশ্চিত করে জানান, বাবু উক্ত মামলার এজাহারনামীয় দুই নম্বর আসামি। ঘটনার পর থেকে সে গ্রেপ্তার এড়াতে বিভিন্ন জায়গায় পালিয়ে বেড়াচ্ছিল। এ নিয়ে ধর্ষণের এই মামলায় এজহার নামীয় চারজনসহ মোট সাত আসামিকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

এর মধ্যে মামলার প্রধান আসামি ধর্ষণের মুল হোতা আশিকুল ইসলাম আশিককে মাদারীপুর জেলা থেকে গ্রেপ্তার করে র‍্যাব। তাকে ঢাকা সিএমএম আদালতে সোপর্দ করে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে পাঠানো হয়েছে। এছাড়া ঘটনার পর দিন র‍্যাবের হাতে গ্রেপ্তার হয় মামলার চার নং আসামি হোটেল ম্যানেজার রিয়াজ উদ্দিন ছোটন।

এর আগে মামলার তিন নম্বর আসামি ইস্রাফিল হুদা জয় ও সন্দেহভাজন তিন আসামি মেহেদী হাসান, মামুনুর রশীদ ও রেজাউল করিম সাহাবুদ্দিনকে গ্রেপ্তার করে ট্যুরিস্ট পুলিশ।

আরও পড়ুন: সুইসাইড নোট লিখে চবি ছাত্রের আত্মহত্যা

সর্বশেষ গ্রেপ্তার হওয়া মেহেদী হাসান বাবুকে তাকে মঙ্গলবার (৪ জানুয়ারি) আদালতে সোপর্দ করে রিমান্ড চাওয়া হবে বলে জানিয়েছেন ট্যুরিস্ট পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মহিউদ্দিন আহমেদ। মামলার প্রধান আসামি আশিক ছাড়া অপর পাঁচ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে রিমান্ডে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

উল্লেখ্য, গত ২২ ডিসেম্বর স্বামী-সন্তানকে জিম্মি করে সৈকতের ঝুপড়ি চায়ের দোকানের পেছনে ও পরে জিয়া গেস্ট ইন হোটেলে দুই দফা ধর্ষণের অভিযোগ ওঠে আসামিদের বিরুদ্ধে। ভুক্তভোগী নারীর স্বামীর অভিযোগের ভিত্তিতে রাতে কক্সবাজারের কলাতলীর ‘জিয়া গেস্ট ইন’ নামে একটি হোটেলে অভিযান চালায় র‍্যাব। 

এসময় হোটেল ম্যানেজারকে আটক করা হয়। এ ঘটনার পরের দিন জড়িতদের শনাক্ত করে চারজনের নাম উল্লেখ করে আরও তিনজন সহ সাতজনের বিরুদ্ধে সদর মডেল থানায় মামলা দায়ের করেন ভুক্তভোগীর স্বামী। 


একাত্তর/এসজে 

মন্তব্য

এই নিবন্ধটি জন্য কোন মন্তব্য নেই.

আপনার মন্তব্য লিখুন