ঢাকা ০৬ জুলাই ২০২২, ২২ আষাঢ় ১৪২৯

রহস্যে ঘেরা যুক্তরাষ্ট্রের ‘এরিয়া ফিফটি ওয়ান’

মনিরুজ্জামান বাবু, একাত্তর
প্রকাশ: ১৩ জানুয়ারী ২০২২ ১৭:৩০:৪৯
রহস্যে ঘেরা যুক্তরাষ্ট্রের ‘এরিয়া ফিফটি ওয়ান’

এরিয়া ফিফটি ওয়ান। যুক্তরাষ্ট্রের এটি এমন একটি স্থান যা সম্পর্কে সঠিক কোনও ধারণা সাধারণ মানুষের কাছে নেই। তবে এই জায়গা নিয়ে মানুষের কৌতুহলেরও শেষ নেই। সাধারণ কোনও মানুষ আজ অবধি এই স্থানে প্রবেশের দাবি করেনি। 

১৯৪৫ সালে শেষ হয়েছে দ্বিতীয় বিশ্ব যুদ্ধ। পরাশক্তি হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং সৌভিয়েত ইউনিয়ন। 


সম্মুখ যুদ্ধে জড়িয়ে না পড়লেও মাত্র দুই বছরের মাথায় দুই শক্তিধর দেশের মাঝে শুরু হয়ে যায় অন্য এক যুদ্ধ। কোল্ড ওয়ার বা স্নায়ু যুদ্ধ। যার ফলে দুই দেশই নুতুন ধরণের বিধ্বংসি সব অস্ত্র তৈরিতে মেতে ওঠে। 

৫০ এর দশকের শুরুতে আমেরিকার নেভাডায় মাথা তুলে দাঁড়াতে শুরু করে জুয়াড়িদের স্বর্গ শহর লাস ভেগাস। মরুভুমির বুকে গড়ে ওঠা ছোট্ট এই শহর থেকে ৮৩ মাইল দূরেই আমেরিকা স্থাপন করলো অতি গোপনীয় একটি এয়ার ফোর্স বেইজ। 

উন্নত প্রযুক্তির মাধ্যমে শক্তিশালি যুদ্ধ বিমান তৈরি করে। এদের কার্যক্ষমতা পরীক্ষা করাই ছিল এই বেইজের লক্ষ। গোপণীয়তার স্বার্থেই এর নাম দেয়া হয় এরিয়া ৫১ বা প্যারাডাইস রেঞ্চ। 


প্রায় ৩০ লাখ একর জায়গা নিয়ে গড়ে ওঠা এই এলাকার ভেতরে কী কাজ হয়, তা খুবই সতর্কতার সঙ্গে গোপণ রাখা হয়। এলাকাটির বাইরে সব সময় সতর্কতাসূচক সাইনবোর্ড, সিসি ক্যামেরা ও সশস্ত্র পাহারাদার মজুত থাকে।

তবে কিছুদিনের মাঝেই প্যারাডাইস রেঞ্চের পাশ্ববর্তি শহরের অধিবাসিরা দেখতে শুরু করলেন অদ্ভুত সব আলোর খেলা। বিচিত্র ধরনের শব্দ শুনতে পাওয়ার অভিযোগও আসতে থাকলো। 

কেউ কেউ চাকতির মতো গোলাকার বস্তু যায়গাটার উপর উড়ে যেতে দেখেছেন। যা কেউ কখনো দেখেনি। এই বেইজকে ঘিড়ে এভাবেই দানা বাধতে শুরু করে জমাট রহস্য। 


প্রায় অর্ধশতক পার হবার পরও এখনোও জানা যায়নি কি আছে প্যারাডাইস রেঞ্চে। আমেরিকা এখন পর্যন্ত গোপণীয়তা বজায় রেখেছে এই ব্যাপারে। বছরের পর বছর ধরে প্যারাডাইস রেঞ্চে নিয়ে গনমাধ্যমে হয়েছে তুমুল আলোচনা। রহস্যের কোন কুল কিনারা করা সম্ভব হয়নি। 

একাত্তর/ এনএ

মন্তব্য

এই নিবন্ধটি জন্য কোন মন্তব্য নেই.

আপনার মন্তব্য লিখুন

বাতাস যখন ভয়ঙ্কর-২

বাতাস যখন ভয়ঙ্কর-২

৪ দিন ১৪ ঘন্টা আগে