ঢাকা ০১ জুলাই ২০২২, ১৭ আষাঢ় ১৪২৯

টাঙ্গাইল-৭ আসনে চলছে ভোটগ্রহণ

নিজস্ব প্রতিনিধি, টাঙ্গাইল
প্রকাশ: ১৬ জানুয়ারী ২০২২ ০৯:৩৬:৪৭ আপডেট: ১৬ জানুয়ারী ২০২২ ১০:৪৯:৪৮
টাঙ্গাইল-৭ আসনে চলছে ভোটগ্রহণ

টাঙ্গাইল-৭ (মির্জাপুর) আসনের উপ-নির্বাচনে ভোট গ্রহণ শুরু হয়েছে। প্রথমবারের মতো ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিনের (ইভিএম) মাধ্যমে এ আসনের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে। 

রোববার (১৬ জানুয়ারি) সকাল ৮ টা থেকে বিরতিহীনভাবে বিকেল ৪ টা পর্যন্ত ভোট গ্রহণ চলবে। 

এ নির্বাচনে পাঁচজন প্রার্থী থাকলেও আওয়ামী লীগের প্রার্থীর সাথে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার মতো কোনো প্রার্থী নাই বলে মনে করছেন এলাকার সচেতন ভোটাররা। তবে এ নির্বাচনে বিএনপির কোনো প্রার্থী না থাকায় আওয়ামী লীগের প্রার্থী ও জাতীয় পার্টির প্রার্থীর মধ্যে মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে বলে মনে করছেন জাতীয় পার্টির নেতা-কর্মীরা। আর গতানুগতিক চিন্তাধারা থেকে নির্বাচনে সব প্রার্থীরা জয়ের ব্যাপারে সবাই আশাবাদী।

এদিকে নির্বাচন সুষ্ঠু এবং শান্তিপূর্ণ করতে নির্বাচনী এলাকায় একজন জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট, আটজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট, চার প্লাটুন বিজিবি, ৮১০ জন পুলিশ সদস্য ও র‍্যাবের ১০ টি মোবাইলটিমসহ পর্যাপ্ত সংখ্যাক আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। এছাড়াও প্রায় সাড়ে আঠারোশ' আনসার সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন জেলা নির্বাচন অফিসার এ.এইচ.এম কামরুল হাসান। 

জেলা নির্বাচন অফিস সূত্রে জানা যায়, একটি পৌরসভা এবং ১৪ টি ইউনিয়ন নিয়ে টাঙ্গাইল-৭ (মির্জাপুর) আসন গঠিত। এ উপ-নির্বাচনে পাঁচ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন। তারা হলেন, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী খান আহমেদ শুভ (নৌকা), জাতীয় পার্টির জহিরুল হক জহির (লাঙ্গল), বাংলাদেশ ওয়ার্কাস পার্টির গোলাম নওজব, চৌধুরী (হাতুড়ি), বাংলাদেশ কংগ্রেস পার্টির রুপা রায় চৌধুরী (ডাব) এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী নুরুল ইসলাম নুরু (মোটরগাড়ি)।

আরও পড়ুন: নারায়ণগঞ্জ সিটি নির্বাচনে ভোটগ্রহণ শুরু

জেলা নির্বাচন অফিসার এ.এইচ.এম কামরুল হাসান জানান, এ আসনে মোট ভোটার তিন লাখ ৪০ হাজার ৩৭৯ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার এক লাখ ৭০ হাজার ৫০১ জন, মহিলা ভোটার এক লাখ ৬৯ হাজার ৭৮ জন। এখানে তৃতীয় লিঙ্গের পাঁচজন ভোটারও রয়েছেন। মোট ভোট কেন্দ্র রয়েছে ১২১ টি। এর মধ্যে ঝুকিপূর্ণ কেন্দ্র ৫৭ টি, সাধারণ কেন্দ্র ৬৪ টি। আর নির্বাচনে ভোট কক্ষ রয়েছে ৭৫৬ টি।

তিনি আরও বলেন, নির্বাচনের দিন প্রতিটি কেন্দ্রে পুলিশ এবং আনসার মিলিয়ে ১৭ থেকে ১৮ জন করে সদস্য দায়িত্ব পালন করবেন। একই সাথে র‍্যাব এবং ডিবির টিমও কাজ করবে। অপরদিকে প্রতিটি ইউনিয়নে পুলিশের স্ট্রাইকিং ফোর্স ও একজন করে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট দায়িত্ব পালন করছেন।


একাত্তর/আরবিএস  

মন্তব্য

এই নিবন্ধটি জন্য কোন মন্তব্য নেই.

আপনার মন্তব্য লিখুন