ঢাকা ১৮ আগষ্ট ২০২২, ২ ভাদ্র ১৪২৯

নতুন পাঁচ জটিলতায় ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে

নয়ন আদিত্য, একাত্তর
প্রকাশ: ২২ মে ২০২২ ২০:০৭:৫৭ আপডেট: ২২ মে ২০২২ ২১:২৫:২৫
নতুন পাঁচ জটিলতায় ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে

পাঁচটি নতুন জটিলতার মুখোমুখী ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে প্রকল্প। নকশা অনুযায়ী কাজ শেষ করতে প্রয়োজন ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন, রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ, বংলাদেশ রেলওয়ে এবং মেট্রোরেল কর্তৃপক্ষের সমন্বিত অনুমতি।

প্রকল্প সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এই চার পক্ষের মধ্যে সমন্বয় না হলে উড়ালপথের কাজ সময়মতে শেষ হবে না। অথচ, চলতি বছরের ডিসেম্বর মাসে বিমানবন্দর থেকে তেজগাঁও রেলগেট পর্যন্ত এই উড়ালসড়কের একটি অংশ খুলে দেয়ার কথা রয়েছে।

বাংলাদেশের প্রথম এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে প্রকল্পটি শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমান বন্দর থেকে শুরু হয়ে কুড়িল, বনানী, মহাখালী, তেজগাঁও, মগবাজার, কমলাপুর, সায়েদাবাদ, যাত্রাবাড়ি হয়ে ঢাকা চট্টগ্রাম মহাসড়কের কুতুবখালী এলাকায় গিয়ে শেষ হবে।


এটি সরকারের অগ্রাধিকার প্রকল্প। এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের খিলগাঁও অংশে চলছে পিলারের উপর টি-গার্ড বসানোর কাজ। তবে বড় একটি অংশের কাজ এখনও বাঁকি। মহাখালী থেকে তেজগাঁও পর্যন্ত পিলারের উপর এখনো টি-গার্ড বসানোর কাজ শেষ হয়নি। 

এরপর বসবে স্ল্যাব। তারপর রেলিং এবং সবশেষে শুরু হবে সড়ক নির্মাণের কাজ। যদিও এই প্রকল্পের উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক ওয়াং ড্যাং পেনের দাবি, আগামী কয়েক মাসেই এই কাজ শেষ করা সম্ভব হবে।  


নকশা অনুযায়ী এর একটি পথ হাতির ঝিলের উপর দিয়ে যাবে। এজন্য দরকার রাজউকের অনুমতির। কমলাপুর এলাকায় টোলপ্লাজা ও পথ নির্মাণের জন্য প্রয়োজন রেলওয়ের অনুমতি। সে সাথে মেট্রোরেল-৫ এর সাথেও সমন্বয়ের প্রয়োজন। 

জমি অধিগ্রহণ নিয়েও আছে জটিলতা। সব সমাধানে তাই পাবলিক প্রাইভেট পার্টনারশিপ-পিপিপি কর্তৃপক্ষের সহায়তা চান প্রকল্প সংশ্লিষ্টরা।

আরও পড়ুন: মাত্রাতিরিক্ত গ্যাস্ট্রিকের ওষুধ বাড়াচ্ছে পেটের পীড়া

রাজধানীর যানজট কমাতে ঢাকার উত্তর-দক্ষিণে সংযোগকারী ১৯.৭৩ কিলোমিটারের এই উড়াল সড়ক প্রকল্পটি ২০১১ সালে হাতে নেয় সরকার। পুরো প্রকল্প শেষ হতে পারে আগামী বছরে। 


একাত্তর/এসি

মন্তব্য

এই নিবন্ধটি জন্য কোন মন্তব্য নেই.

আপনার মন্তব্য লিখুন

বাতাস যখন ভয়ঙ্কর-২

বাতাস যখন ভয়ঙ্কর-২

১ মাস ১৬ দিন আগে