ঢাকা ২৯ জুলাই ২০২১, ১৪ শ্রাবণ ১৪২৮

দেশে ফিরছেন ভারতে আটকে পড়ারা, স্থলবন্দরে বাড়তি সতর্কতা

একাত্তর অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ: ১৬ মে ২০২১ ১৮:২৮:৪১ আপডেট: ১৮ মে ২০২১ ১১:২৩:৪২
দেশে ফিরছেন ভারতে আটকে পড়ারা, স্থলবন্দরে বাড়তি সতর্কতা

ভারতে আটকে পড়া বাংলাদেশি নাগরিকরা রোববার থেকে বিভিন্ন স্থলবন্দর দিয়ে দেশে ফিরতে শুরু করেছেন। তবে দেশে ফেরার সঙ্গে সঙ্গে সবাইকে নেয়া হচ্ছে ১৪ দিনের প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টাইনে। কেউ করোনা পজেটিভ হলে তাকে পাঠানো হচ্ছে হাসপাতালে।

প্রায় ১৪ মাস পর রোববার সকাল থেকে দিনাজপুরের হিলি চেকপোস্ট দিয়ে দেশে আসতে শুরু করেন ভারতে আটকে পরা বাংলাদেশের পাসপোর্টধারীরা। আসার আগে সবাইকে বাংলাদেশ মিশন থেকে নিতে হয়েছে অনাপত্তিপত্র। সেসঙ্গে থাকতে হবে করোনা নেগেটিভ সনদ।

বন্দর কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, যাদের ভিসার মেয়াদ ২৩ শে মে শেষ হচ্ছে তাদেরই কোলকাতার বাংলাদেশের উপ-হাইকমিশন থেকে অনাপত্তিপত্র নিয়ে দেশে আসতে হচ্ছে।

ফেরার পর ইমিগ্রেশন প্রক্রিয়া শেষে সবার স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা হচ্ছে। এরপর তাদেরকে নেয়া হচ্ছে স্থানীয় এম.এম আবাসিক হোটেলে। সেখানেই ১৪ দিনের কোয়ারেন্টাইনে থাকতে হবে সবাইকে। আর অসুস্থদের পাঠানো হচ্ছে দিনাজপুর হাসপাতালে।

দিনাজপুর হাকিমপুর উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা নূর-এ-আলম সিদ্দিকি জানান, করোনা বন্দরে ইমিগ্রেশন বিভাগকে সহায়তা দিতে কাজ করছে প্রশাসন, স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ও পুলিশ। ফেরত আসা বাংলাদেশিদের কোয়ারেন্টাইন নিশ্চিত করতে সব ব্যবস্থাই নেয়া হয়েছে।

একইভাবে লালমনিরহাট জেলার বুড়িমারি ইমিগ্রেশন দিয়ে ২৬শে এপ্রিল থেকে এখন পর্যন্ত দেশে এসেছেন ২০২ জন। যারা এসেছেন তাদের বেশিরভাগই শিক্ষার্থী। সেখানেও ব্যবস্থা করা হয়েছে প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টাইনের।

ফেরত আসা বাংলাদেশিরা জানান, বন্দরের কাছেই একটি আবাসিক হোটেলে তাদেরকে রাখার ব্যবস্থা করা হয়েছে। বলেন, কোয়ারেন্টাইন শেষেই তারা ফিরতে চান আপন ঠিকানায়।

এদিকে, রোববার থেকে চুয়াডাঙ্গার জয়নগর চেকপোস্ট দিয়ে বাংলাদেশিদের দেশে ফেরত আসার কথা থাকলেও, এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত কেউ আসেননি। বন্দর কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, কলকাতার উপ-হাইকমিশন থেকে অনাপত্তিপত্র না পাওয়ায় কেউই ফিরতে পারেননি। তবে সোমবার থেকে আবারো অনাপত্তিপত্র দেয়া শুরু হবে বলে জানা গেছে।

ফেরত আসা বাংলাদেশিদের ১৪ দিনের কোয়ারান্টাইন নিশ্চিত করতে সকল ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে জেলা প্রশাসন। ভারত থেকে আগতদের স্বাস্থ্য পরীক্ষা ও কোয়ারান্টাইনে পাঠাতে জয়নগর চেকপোস্টে স্বাস্থ্য, ইমিগ্রেশন, কাস্টমস ও বিজিবির পাশাপাশি পুলিশ এবং বেশ কয়েকটি মনিটরিং টিম কাজ করছে। 

চেকপোস্ট থেকে স্বাস্থ্য পরীক্ষা শেষে সবাইকে মাইক্রো ও প্রয়োজনে বাসে বহন করে নেয়া হবে সরকারের নির্ধারিত চারটি কোয়ারান্টাইন সেন্টারে। এসব সেন্টারে মাত্র ৩২০ জনের বেড প্রস্তত করা হয়েছ। বাকিদেরকে থাকতে হবে জেলার বিভিন্ন আবাসিক হোটেলে।

 


একাত্তর/এসএ

মন্তব্য

এই নিবন্ধটি জন্য কোন মন্তব্য নেই.

আপনার মন্তব্য লিখুন