ঢাকা ২৬ অক্টোবর ২০২১, ১১ কার্তিক ১৪২৮

অবশেষে স্বপ্ন এগিয়ে নিতে অনুদান পেলেন নার্গিস

অর্ণব বাপি
প্রকাশ: ২৭ জুলাই ২০২১ ২২:১৪:৪৭ আপডেট: ২৮ জুলাই ২০২১ ১০:৫৬:৩৯
অবশেষে স্বপ্ন এগিয়ে নিতে অনুদান পেলেন নার্গিস

অভাব অনটনে যখন ফুটবল খেলাটাই ছেড়ে দেয়ার উপক্রম তখনই সুখবর পেলেন নার্গিস খাতুন। নারী ফুটবল লিগে এফসি ব্রাহ্মণবাড়িয়ার হয়ে খেলা এই দরিদ্র ফুটবলারের পাশে দাঁড়ালানে ম্যাক্স গ্রুপের চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার গোলাম মোহাম্মদ আলমগীর। 

একাত্তর খেলাযোগে সংবাদ প্রচারের পরই ফুটবলার নার্গিসকে প্রতিমাসে অর্থিক অনুদানের বিষয়টি নিশ্চিত করেন তিনি। 

ফুটবলার নার্গিস খাতুনের দুই চোখে শুধু জল। আস্থা হারানো মন। গেল রোববারের আগেও কিশোরী ফুটবলারের জীবন সংগ্রামের গল্পটা অজানা ছিল সবার কাছে। 

নুন আনতে পান্তা ফুরায় দশা যে পরিবারের সেই পরিবারের মেয়ের ফুটবলার হওয়ার স্বপ্নটা এই সমাজের চোখে বিলাসিতা। 

তবে বটবৃক্ষের ছায়া হয়ে ছিলেন দরিদ্র বাবা। নিজে থেকেছেন আধা-পাকা ঘরের বারান্দায়। মেয়েকে কিনে দিয়েছেন জার্সি-ফুটবল-বুট। 

আরও পড়ুন: পদক না জিতলেও ইতিহাস গড়লেন রোমান সানা

অদম্য যার মনোবল, সেই নার্গিস খাতুনের পেশাদার ফুটবলার হওয়ার প্রথম ধাপ। ব্রাহ্মণবাড়িয়ার তৃতীয় স্থান অর্জনে অবদানটা কম নয় এই ডিফেন্ডারের। 

নার্গিসকে নিয়ে করা একাত্তর খেলাযোগের প্রতিবেদন ছড়িয়ে পড়ে সবখানে। এই শহরে ইটের পাহাড়ে যন্ত্রে বাধা মনের ভীড়েও আছে এমন কেউ যারা এগিয়ে আসে নার্গিসের মতো কিশোরীদের স্বপ্নকে ছোঁয়ার সিঁড়ি তৈরি করতে। 

আনন্দের খবরটা মুহুর্তেই পোঁছে গেছে নাটোরের নার্গিসের বাড়িতে। দ্ররিদ্র পরিবারটা যেন খুঁজে পেয়েছে আশার আলো। 

গেল বছর বঙ্গমাতা প্রথামিক ফুটবল টুর্নামেন্টে সেরা খেলোয়াড় হয়ে প্রধানমন্ত্রীর কাছ থেকে পুরষ্কার জেতা উন্নতির খাতুনের পাশেও দাঁড়িয়েছিল ম্যাক্স গ্রুপ। 

দেড় বছর ধরে প্রতিমাসে মিলছে অনুদানের টাকা। দেশের প্রতি প্রতিদান দিতে ভুল করেনি উন্নতি। খেলছেন জাতীয় নারী ফুটবল দলের হয়ে।


একাত্তর/আরএইচ

মন্তব্য

এই নিবন্ধটি জন্য কোন মন্তব্য নেই.

আপনার মন্তব্য লিখুন