ঢাকা ৩০ নভেম্বর ২০২১, ১৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৮

দুর্যোগ মহামারী নয়, অকাল মৃত্যুর বড় কারণ হৃদরোগ

ফাল্গুনী রশীদ, একাত্তর
প্রকাশ: ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২১ ১৪:২৬:৪৫ আপডেট: ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২১ ১৫:০৭:৩৭
দুর্যোগ মহামারী নয়, অকাল মৃত্যুর বড় কারণ হৃদরোগ

মৃত্যুকে এড়িয়ে যাওয়া তো অসম্ভব, তবে অকাল মৃত্যুও কাম্য নয়। প্রাকৃতিক দুর্যোগ বা দুর্ঘটনা কিংবা মহামারী করোনা নয় বরং বিশ্বব্যাপী অকাল মৃত্যুর সবচেয়ে বড় কারণ হৃদরোগ। 

বিশ্বব্যাপী প্রতি ১০০ মৃত্যুর মধ্যে ৩২ জনেরও বেশি মানুষ মারা যান শুধু হৃদপিণ্ডের জটিলতায়। বাংলাদেশও ব্যতিক্রম নয়। উন্নত চিকিৎসার সবটুকু থাকলেও সেই সুযোগ পান কম রোগীই। 

হার্ট, হৃদযন্ত্র, হৃদপিণ্ড যে নামেই ডাকা হোক না কেন, জীবন মৃত্যুর ব্যবধান গড়তে মানবদেহের এই অঙ্গের এক সেকেন্ডের বিরতিই যথেষ্ট। 

মাতৃগর্ভ থেকেই অবিরাম চলতে থাকা হৃদপিণ্ডকে ভালো রাখতে সচেতন খুব কম মানুষই। তাই তো বাংলাদেশেসহ বিশ্বের প্রায় সবদেশেই অকাল মৃত্যুর সবচেয়ে বড় কারণ হৃদযন্ত্রের রোগ। 

গ্লোবাল বারডেন অফ ডিজিজ স্টাডি বলছে. বাংলাদেশে গড়ে প্রতি লাখে দেড়শরও বেশি মানুষ হৃদরোগে মারা যান। 

আরও পড়ুন: মৌসুমী জ্বরে পরিণত হতে পারে করোনা, যদি...

হৃদরোগ কেবল প্রবীণদের জন্যই নয়, ঝুঁকি বাড়াচ্ছ তরুণদের জন্যও। প্রতি বছর তরুণ আর মধ্য বয়স্কদের মধ্যে দুই শতাংশ হারে হৃদরোগ বাড়ছে বলে জানালেন জাতীয় হৃদরোগ ইন্সটিটিউটের পরিচালক অধ্যাপক মীর জামাল উদ্দীন। 

হৃদরোগে চিকিৎসা ব্যবস্থা প্রতিনিয়তই উন্নত হচ্ছে, বাংলাদেশও তাল মিলিয়ে চলছে। তবে বিপুল সংখ্যক রোগীর জন্য তা যথেষ্ট নয়। বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের সঙ্কট তো আছেই। 

খাদ্যাভ্যাসের পরিবর্তন কিংবা কায়িকশ্রমের মতো জীবনাচরণ হৃদরোগের ঝুঁকি বহুগুণে কমিয়ে দেয় বলেই জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা। 


একাত্তর/এসজে

মন্তব্য

এই নিবন্ধটি জন্য কোন মন্তব্য নেই.

আপনার মন্তব্য লিখুন