ঢাকা ০৩ ডিসেম্বর ২০২১, ১৯ অগ্রহায়ণ ১৪২৮

নিত্যপণ্যের দাম একটার কমলে আরেকটার বাড়ে

জাহেদুল ইসলাম, একাত্তর
প্রকাশ: ২২ অক্টোবর ২০২১ ১৩:৪৫:১৪
নিত্যপণ্যের দাম একটার কমলে আরেকটার বাড়ে

রাজধানীর বাজারে নিত্যপণ্যের দাম যেন কমছেই না। এক পণ্যের দাম একটু কমলো তো আরেকটির বাড়ছে। এ যেন পণ্যের দাম নিয়ে ছিনিমিনি খেলা।

এই সপ্তাহে পেঁয়াজ, আদা এবং রসূনের মতো নিত্যপণ্যের দাম কমলেও, নতুন করে বেড়েছে আটা, ময়দা এবং চিনির দাম।

শীতকালীন সবজির দাম কিছুটা কমলেও ব্রয়লার মুরগির দাম কেজিতে ১০ টাকা বেড়েছে। তবে আমদানির চাল বাজারে আসায় দেশি মিনিকেট এবং নাজিরশাইলের দাম কেজিতে দুই থেকে তিন টাকা কমেছে।

সাপ্তাহিক ছুটির প্রথম দিন শুক্রবার এলেই বাজারে ক্রেতা বাড়ে। আর এর অপেক্ষাতেই যেন থাকে বিক্রেতারা। দেখা গেছে এই দিনটিতে কোনো না কোনো পণ্যের দাম বেড়েছে।

আমদানী শুল্ক ১০ শতাংশ কমানোর পরও বাজারে চিনি বিক্রি হচ্ছে বাড়তি দামে। বিক্রেতাদের অজুহাত নতুন চিনি এখনো বাজারে আসেনি।

এদিকে পেঁয়াজের দাম কেজিতে পাঁচ টাকা কমে এখন ৬৫ এবং রসুনে ১০ টাকা কমে ১২০ টাকায় নেমেছে। নতুন করে বেড়েছে আটা,  ময়দা এবং সয়াবিন তেলের দাম। 

সরকারের মৌসুমী নিষেধাজ্ঞায় নদীতে ধরা বন্ধ তাই বাজারে বিক্রিও বন্ধ। দেশী অন্যান্য মাছের সরবরাহ কম, তাই দাম কেজিতে বেড়েছে ২০ থেকে ৫০ টাকা পর্যন্ত।

শীতের সব্জির সরবরাহ বেড়েছে, তবুও বেগুন বিক্রি হচ্ছে ৬০ থেকে ৮০ টাকা কেজি, ছোট আকারের ফুল কপি ৪০ থেকে ৫০ টাকায়, ঢেঁড়শ ৬০ থেকে ৭০ টাকায়। বিক্রেতারা বলছেন দাম কমেছে তা শুনে ক্রেতাদের চোখ ছানাবড়া।

এদিকে চলতি সপ্তাহে ব্রয়লার মুরগির দাম কেজিতে আরো ১০ টাকা বেড়ে বিক্রি হচ্ছে ১৯০ টাকায়। সোনালি মুরগি গেলো সপ্তাহে প্রতি কেজি ছিলো ৩০০, এ সপ্তাহে ২০ টাকা বেড়েছে।

অপরিবর্তিত আছে ডিমের দাম। লাল ডিমের ডজন বিক্রি হচ্ছে ১১০ টাকায়। হাঁসের ডিমের ডজন বিক্রি হচ্ছে ১৬৫ টাকা। সোনালি মুরগির ডিমের ডজন বিক্রি হচ্ছে ১৮০ টাকায়।


একাত্তর/টিএ

মন্তব্য

এই নিবন্ধটি জন্য কোন মন্তব্য নেই.

আপনার মন্তব্য লিখুন