ঢাকা ০৩ ডিসেম্বর ২০২১, ১৯ অগ্রহায়ণ ১৪২৮

পীরগঞ্জে মাঝিপাড়ায় আগুনের ঘটনায় গ্রেপ্তার দুই

নিজস্ব প্রতিবেদক, একাত্তর
প্রকাশ: ২৩ অক্টোবর ২০২১ ১২:৪২:৪৫ আপডেট: ২৩ অক্টোবর ২০২১ ১৫:১৩:১৩
পীরগঞ্জে মাঝিপাড়ায় আগুনের ঘটনায় গ্রেপ্তার দুই

রংপুরের পীরগঞ্জে মাঝিপাড়ায় হামলা ও অগ্নিসংযোগের ঘটনায় দুইজনকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব)। 

র‌্যাব জানায়, শুক্রবার (২২ অক্টোবর) গাজীপুরের টঙ্গী এলাকা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন- রবিউল ইসলাম ও সৈকত মণ্ডল।

শনিবার (২৩ অক্টোবর) সকালে র‌্যাবের আইন ও গণমাধ্যম শাখার পরিচালক কমান্ডার খন্দকার আল মঈন এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে গণমাধ্যমকে এ তথ্য জানিয়েছেন।

তিনি বলেন, গ্রেপ্তার দুজনের মধ্যে রবিউল ইসলাম ঘটনার অন্যতম হোতা এবং সৈকত মণ্ডল তার সহযোগী। হামলা ও অগ্নিসংযোগের আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তারা অপপ্রচার চালায়।

খন্দকার আল মঈন বলেন, এরই ধারাবাহিকতায়, র‌্যাব সদরদপ্তরের গোয়েন্দা শাখা ও র‌্যাব-১৩ এর একটি আভিযানিক দল শুক্রবার (২২ অক্টোবর) রাতে টঙ্গী এলাকা হতে পীরগঞ্জে হামলা ও অগ্নিসংযোগের অন্যতম হোতা সৈকত মন্ডল ও রবিউল ইসলামকে গ্রেফতার করে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা ওই ঘটনায় নিজেদের সংশ্লিষ্টতা সম্পর্কে তথ্য প্রদান করেছেন।

গ্রেপ্তারদের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে প্রাপ্ত তথ্যের বরাতে কমান্ডার মঈন বলেন, তারা উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে অরাজকতা তৈরির ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্টের লক্ষ্যে হামলা-অগ্নিসংযোগ ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অপপ্রচার এবং মাইকিং করে হামলাকারীদের জড়ো করেন বলে জানান।

আরও পড়ুন: পীরগঞ্জে আগুন: গ্রেপ্তারের আগে সৈকতকে ছাত্রলীগ থেকে বহিষ্কার

‘গ্রেপ্তার সৈকত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে উসকানিমূলক, বিভ্রান্তিকর ও মিথ্যাচারের মাধ্যমে স্থানীয় জনসাধারণকে উত্তেজিত করে তোলেন। তিনি হামলা ও অগ্নিসংযোগে অংশগ্রহণে জনসাধারণকে উদ্বুদ্ধ করেন। তার নেতৃত্বে বেশ কয়েকজন হামলায় সরাসরি অংশগ্রহণ করে বাড়িঘর, দোকানপাট ভাঙচুর, লুটপাট ও অগ্নিসংযোগ করেন। তিনি গ্রেফতার রবিউলকে মাইকিং করে লোকজন জড়ো করতে নির্দেশনা দেন। ঘটনার পর তিনি আত্মগোপনে চলে যান।’

এই র‌্যাব কর্মকর্তা বলেন, গ্রেফতার সৈকত মন্ডল রংপুরের একটি কলেজের স্নাতকে অধ্যয়নরত। তিনি বিভিন্ন সময়ে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিভিন্ন উসকানিমূলক ও বিভ্রান্তিকর পোস্ট দিতেন ও শেয়ার করতেন।

একাত্তর/এসি

মন্তব্য

এই নিবন্ধটি জন্য কোন মন্তব্য নেই.

আপনার মন্তব্য লিখুন