ঢাকা ০৮ ডিসেম্বর ২০২১, ২৪ অগ্রহায়ণ ১৪২৮

'ঘি' মানে বিস্ফোরক, দাবি ভারতীয় তদন্তকারী সংস্থার!

একাত্তর অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ: ২৩ অক্টোবর ২০২১ ১৬:১৫:৫৮ আপডেট: ২৩ অক্টোবর ২০২১ ১৬:১৭:৩৭
'ঘি' মানে বিস্ফোরক, দাবি ভারতীয় তদন্তকারী সংস্থার!

পাকিস্তানের জঙ্গি সংগঠন ফালা-ই-ইনসানিয়তের (এফআইএফ) থেকে টাকা নেওয়ার অভিযোগে চারজনকে গ্রেপ্তার করেছিল ভারতের জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা (এনআইএ)। জঙ্গিরা সাঙ্কেতিক ভাষায় কথা বলতেন এবং সাঙ্কেতিক ভাষায় 'ঘি' মানেই বিস্ফোরক আর 'খিদমত' মানে জঙ্গি প্রশিক্ষণ, এমনটা দাবি করে এনআইএ। 

যদিও দেশটির জাতীয় তদন্তকারী সংস্থার এমন অদ্ভুত বক্তব্যকে আমলে নেয়নি দেশটির আদালত। 

শনিবার (২৩ অক্টোবর) জঙ্গি-অর্থের উৎস সন্ধান সংক্রান্ত মামলায় ভারতীয় জাতীয় তদন্তকারী সংস্থার (এনআইএ) দাবি খারিজ করেছে দিল্লির আদালত। খবর দ্যা ইণ্ডিয়ান এক্সপ্রেসের। 

এনআইএ দাবি করে, জঙ্গিরা 'ঘি' শব্দটি ব্যবহার করত বিস্ফোরক অর্থে। কিন্তু এই দাবির স্বপক্ষে তদন্তকারী সংস্থা কোনো প্রমাণ দিতে না পারায় তা খারিজ করে ওই চার অভিযুক্তকে বেকসুর খালাস করে দিল্লির আদালত।

এই মামলায় যে চার জনকে গ্রেফতার করা হয়েছিল, তারা হলেন— মুহাম্মদ সলমন, মুহাম্মদ সালিম, আরিফ গুলাম বশির ধর্মপুরিয়া ও মহম্মদ হুসেন মোলানি। 

আরও পড়ুন: সাতদিনের রিমান্ডে ইকবালসহ চারজন, মণ্ডপে কোরআন রাখার দায় স্বীকার

সংস্থাটির অভিযোগ, মসজিদ তৈরির নামে এই চার জনকে প্রচুর টাকা দিয়েছিল এফআইএফ। ধৃতদের মূল উদ্দেশ্য ছিল, ভারতে অশান্তি ছড়ানো। এই বক্তব্যের স্বপক্ষে মহম্মদ সলমনের মোবাইল থেকে পাওয়া দু'টি বার্তা আদালতের সামনে তুলে ধরেন তদন্তকারী কর্মকর্তারা। ওই বার্তায় লেখা ছিল, 'ঘি তৈরিই আছে। বোম্বের দলও চলে আসবে। ওদের হাত দিয়েই পাঠিয়ে দেব।' আর অন্য এক বার্তায় লেখা, 'তুমি তো খিদমতে ছিলে। তুমি জানবে না।'

এনআইএ আরও দাবি করে, জঙ্গি প্রশিক্ষণের কথা বলতে এসব শব্দ ব্যবহার করা হয়েছে। কিন্তু ঠিক কি পদ্ধতি অবলম্বন করে এই সাঙ্কেতিক শব্দ দু'টির অর্থ খুঁজে বের করা হয়েছে সে ব্যাপারে কোনো ব্যাখ্যা দিতে পারেনি সংস্থাটি। ফলে এই দাবি খারিজ করে দেয় আদালত।


একাত্তর/আরবিএস 

মন্তব্য

এই নিবন্ধটি জন্য কোন মন্তব্য নেই.

আপনার মন্তব্য লিখুন