ঢাকা ২৯ মে ২০২২, ১৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৯

‘বিশ্বব্যাপী খাদ্যপণ্যের দাম আরও বাড়তে পারে’

নিজস্ব প্রতিবেদক, একাত্তর
প্রকাশ: ১২ নভেম্বর ২০২১ ১৮:৪৩:১৮
‘বিশ্বব্যাপী খাদ্যপণ্যের দাম আরও বাড়তে পারে’

বিশ্বব্যাপী খাদ্যপণ্যের মূল্যবৃদ্ধির নতুন রেকর্ডের পাশাপাশি আরেকটি রেকর্ডের পূর্বাভাস দিলো জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা। এফএও বলছে, চলতি বছরের শেষ নাগাদ বিশ্বব্যাপী খাদ্য আমদানির খরচ পৌঁছেতে পারে রেকর্ড ১ দশমিক ৭৫ ট্রিয়িলন ডলার। বিশ্বজুড়ে খাদ্য পণ্যের উচ্চমূল্য আর পরিবহন খরচ বেড়ে যাওয়া এর কারণ। শুধু তাই নয় চলতি মৌসুমে খাদ্যশস্যের বৈশ্বিক বাণিজ্য রেকর্ড উচ্চতায় পৌঁছতে পারে বলেও পূর্বাভাস দিয়েছে জাতিসংঘ। 

জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থার ওয়ার্ল্ড ফুড সিচুয়েশন প্রতিবেদনে এমন তথ্যই উঠে এসেছে। এফএও বলছে, আন্তর্জাতিকভাবে খাদ্যপণ্যের উচ্চমূল্য এবং পরিবহণ খরচ প্রায় ৩ গুণ বেড়ে যাওয়া আমদানি ব্যয় রেকর্ড উচ্চতায় পৌঁছানোর প্রধান কারণ। 

করোনা মহামারির প্রভাব, তার উপর খাদ্যের ক্রমবর্ধমান দাম বৃদ্ধি দরিদ্র দেশ এবং ভোক্তাদের জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ বলছে জাতিসংঘ। কারণ উন্নয়নশীল দেশগুলোর খাদ্য আমদানি বিল বাড়তে পারে প্রায় ২০ শতাংশ। এসব অঞ্চলে শষ্য পশুর চর্বি, উদ্ভিজ্জ তেল এবং তৈলবীজের দাম বাড়ছে উল্লেখ্যযোগ্য হারে। ফলমূল, সবজি, মৎস্য পণ্য এবং পানীয় জাতীয় পণ্যেরও বড় বাজার এসব অঞ্চল। 

এফএও'র প্রতিবেদন বলছে, চলতি মৌসুমে খাদ্যশস্যের বৈশ্বিক বাণিজ্য ৪৭ কোটি ৮১ লাখ টনে ঠেকতে পারে। গত মৌসুমে ছিল ৪৭ কোটি ৬৬ লাখ টন। এবার বাড়বে ১৫ লাখ টন। এদিকে চলতি মৌসুমে খাদ্য উৎপাদনের তুলনায় ব্যবহার বাড়বে বলছে সংস্থাটি। ফলে চাহিদা ও সরবরাহ ভারসাম্যহীনতার সম্ভাবনা ও থাকছে বলছে জাতিসংঘ। 

চাহিদা ও সরবরাহ ভারসাম্যহীন হলে বিশ্বব্যাপী খাদ্যপণ্যের দাম বাড়তে পারে আরো বেশি। যদিও এখনও বিশ্বে প্রায় ৫৩টি দেশে আয়ের প্রায় ৬০ শতাংশ ব্যয় হয়, খাদ্য, বাসস্থান, জ্বালানি আর বিশুদ্ধ পানীয়র মত প্রয়োজনীয় খাতে।

একাত্তর/ এনএ


মন্তব্য

এই নিবন্ধটি জন্য কোন মন্তব্য নেই.

আপনার মন্তব্য লিখুন