ঢাকা ২৯ মে ২০২২, ১৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৯

আরো ১২ বছর শুল্কমুক্ত বাণিজ্য সুবিধা চায় বাংলাদেশ

কাবেরী মৈত্রেয়, একাত্তর
প্রকাশ: ১৪ নভেম্বর ২০২১ ২০:৫৯:৪৮ আপডেট: ১৪ নভেম্বর ২০২১ ২৩:৩৪:০৯
আরো ১২ বছর শুল্কমুক্ত বাণিজ্য সুবিধা চায় বাংলাদেশ

স্বল্পোন্নত থেকে উন্নয়নশীল দেশের তালিকায় ওঠার পর বছরে ২৩ হাজার কোটি টাকার শুল্কমুক্ত রপ্তানি বাজার সুবিধা হারাবে বাংলাদেশ। মোকাবেলা করতে হবে আরো কিছু চ্যালেঞ্জও।

সেজন্য এখনও পুরোপুরি প্রস্তুত নয় বাংলাদেশ। তাই আসছে বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার ১২তম মন্ত্রী পর্যায়ের সম্মেলনে উন্নয়নশীল দেশ হবার পরও ১২ বছরের শুল্কমুক্ত বাণিজ্য সুবিধা চাইবে বাংলাদেশ।  

জাতিসংঘের বেঁধে দেয়া লক্ষ্যমতে, স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উন্নয়নশীল দেশে উত্তোরণের জন্য মাথাপিছু আয় এবং অর্থনৈতিক ভঙ্গুরতাসহ তিন সূচকেই এগিয়েছে বাংলাদেশ। তাই, ২০২৬ সালে প্রবেশ করতে যাচ্ছে উন্নয়নশীল দেশের তালিকায়।

এই কারনে বিশ্ববাজারে পণ্য রপ্তানি থেকে শুরু করে নীতিগত সহায়তা, কি হারাবে বাংলাদেশ, সম্প্রতি ট্রেড ইম্প্যাক্টস অব এলডিসি গ্র্যাজুয়েশন প্রতিবেদনে সে পর্যালোচনাই তুলে ধরা হয়েছে।

এতে বলা হচ্ছে প্রতি বছর গড়ে ২৭০ কোটি ডলারের শুল্কমুক্ত সুবিধা ভোগ করছে দেশ। এছাড়া কম সুদে বিদেশী ঋণ ও অনুদানও পেয়ে আসছে।

আরও পড়ুন: রাজধানীতে জমতে শুরু করেছে শীত পোশাকের বেচা কেনা

কিন্তু ২০২৬ সালের পর স্বল্পোন্নত দেশের তালিকা থেকে বেরিয়ে গেলে পোশাকসহ বেশ কিছু খাতের শুল্কমুক্ত রপ্তানি কমবে।

যাতে বছরে ২৩ হাজার কোটি টাকার বাজার হারাতে পারে দেশ। বিশ্ববাজারে তীব্র প্রতিযোগিতার মধ্যেই বাংলাদেশী পণ্যের ওপর গড়ে ৬.৭ শতাংশ শুল্ক বাড়বে। ফলে বাংলাদেশি পণ্যে ২৫০ কোটি ডলারের বেশি শুল্ক যোগ হয়ে রপ্তানি কমতে পারে ১৪ শতাংশ।

তাই আসছে ৩১ নভেম্বর জেনেভায় ১২তম মন্ত্রিপর্যায়ের সম্মেলনে ১০ বছরের শুল্কমুক্তিসহ বেশ কিছু সুবিধা চাইবে বাংলাদেশ।

এলডিসি থেকে উত্তরণের দ্বারপ্রান্তে থাকা দেশগুলোর শুল্ক সুবিধার সময় বাড়ানোর ব্যপারে ইতিবাচক আছে বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থা।

বাংলাদেশও সুবিধাজনক অবস্থানে, আছে মনে করেন বিশ্লেষকরা। তবে এর বাস্তবায়নে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়কে আরো কৌশলী হবার পরামর্শ দিয়েছেন তারা।

ডব্লিউটিও’র হিসেবে বাংলাদেশের মোট রপ্তানি বাণিজ্যের ৭১ শতাংশ বিশেষবাজার সুবিধায় সরাসরি নির্ভরশীল।

এমন অবস্থায় ডব্লিউটিও’র উন্নয়নশীল সদস্য দেশগুলোর সাথে মন্ত্রীপর্যায়ের বৈঠকের আগে কিছু বিষয়ে ঐক্যমত তৈরির তাগিদ দিয়েছেন বিশ্লেষকরা।


একাত্তর/টিএ

মন্তব্য

এই নিবন্ধটি জন্য কোন মন্তব্য নেই.

আপনার মন্তব্য লিখুন