ঢাকা ২২ জানুয়ারী ২০২২, ৮ মাঘ ১৪২৮

যন্ত্রকৌশলী রাজুর স্বপ্নটা এখন আরেকটু বড়

জাহেদুল ইসলাম, একাত্তর
প্রকাশ: ২৮ নভেম্বর ২০২১ ২৩:২১:১৬ আপডেট: ২৯ নভেম্বর ২০২১ ১৭:৫০:৫০
যন্ত্রকৌশলী রাজুর স্বপ্নটা এখন আরেকটু বড়

প্রকৌশলে প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা নেই তার, নেই ডিগ্রিও। তবু নতুন কিছুতৈরির আগ্রহে পড়ালেখার পাশাপাশি বাবার ওয়ার্কশপে আসা যাওয়া ছিলো তার। সেখানেই হাতেখড়ি।

এরপর ১৬ বছর বয়সেই বানিয়ে ফেলেন বৈদ্যুতিক বাতি বানানোর মেশিন। তিনিধোলাইখালের টিপু সুলতান রোডে হালকা প্রকৌশল খাত উদ্যোক্তা রাজু আহমেদ।

এখন তৈরি করেন টেক্সটাইল চামড়া এবং সিরামিক কারখানার খুচরা যন্ত্রাংশ।এতে মেশিনারি আমদানি কমে দেশের বৈদেশিক মুদ্রার মজুদ বাঁচানোর কাজ করছেন রাজু।

পুরনো ঢাকার টিপু সুলতান রোডে একটি ছোট ওয়ার্কসপে ১৫ মেশিনে বিভিন্নশিল্প কারখানার জন্য খুচরা যন্ত্রাংশ তৈরি করছেন ২০ জন কর্মী।

ওয়ার্কশপটির মালিক রাজু আহমেদের ছোটবেলা থেকেই উদ্ভাবনের নেশা, তাইপড়ালেখার পাশাপাশি বাবার ওয়ার্কসপে যেতেন নিয়মিত।

পড়ালেখায় ইতি টেনে ১৯৮২ সালে ২৫ হাজার টাকায় একটি লেদ মেশিন কিনে নিজেরমতো কাজ শুরু করেন রাজু। ১৬ বছর বয়সেই তৈরি করে ফেলেন বিজলী বাতি বানানোর মেশিন।

আরও পড়ুন: মলদ্বারের অসুখ লুকিয়ে রাখলেই বিপদ, আছে সহজ চিকিৎসা

রাজু আহমেদের হিসেবে, টিপু সুলতান রোডসহ আশেপাশের ওয়ার্কশপগুলোতে তৈরিমেশিন আর খুচরা যন্ত্রাংশ বছরে দেশের প্রায় ১০ হাজার কোটি টাকার আমদানি ব্যয় সাশ্রয়করছে।

প্রকৌশল খাতে তার প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা নেই। তবে ৩৯ বছরে হাতে কলমেশিখেছেন অনেক কিছু। তৈরি করেছেন অনেক নতুন যন্ত্রপাতি।

এখন রাজুর স্বপ্নটা আরেকটু বড়। হালকা নন, এবার ভারি শিল্পের জন্য তৈরিকরতে চান শতভাগ ‘মেইড ইন বাংলাদেশ’ মেশিন।  

তিনি দেখতে পান জাপান, কোরিয়া এবং চীন যেভাবে ক্ষুদ্র প্রকৌশল শিল্পদিয়ে শুরু করে আজ শিল্পে সমৃদ্ধ, বাংলাদেশও একদিন এমন হবে।

এজন্য এই খাতে সারাদেশেরপ্রতিভাবানদের খুঁজে তালিকা করে তাদের প্রয়োজনীয় সহয়তা দিতে হবে বলে মনে করেন একজনরাজু আহমেদ।


একাত্তর/টিএ

মন্তব্য

এই নিবন্ধটি জন্য কোন মন্তব্য নেই.

আপনার মন্তব্য লিখুন