ঢাকা ২২ জানুয়ারী ২০২২, ৮ মাঘ ১৪২৮

ওমিক্রন নিয়ে সতর্কতা, সব হাসপাতালকে প্রস্তুত থাকার নির্দেশ

ডলার মেহেদী, একাত্তর
প্রকাশ: ২৯ নভেম্বর ২০২১ ২০:১৫:০২
ওমিক্রন নিয়ে সতর্কতা, সব হাসপাতালকে প্রস্তুত থাকার নির্দেশ

করোনার নতুন ধরন ওমিক্রন নিয়ে নড়েচড়ে বসেছে বাংলাদেশ। নতুন এই ধরন কতটা ভয়াবহ আর সংক্রামক হতে পারে, সেটি জানা না গেলেও, এখন থেকেই সতর্ক স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।

বলছে, প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী ওমিক্রন খুব বেশি কাবু করতে পারছে না রোগীকে। তারপরও সম্ভাব্য পরিস্থিতি মোকাবেলায় সব হাসপাতালকে প্রস্তুত থাকতে বলা হয়েছে।

এদিকে, করোনার নতুন ধরণ ওমিক্রনের বিস্তার ঠেকাতে আফ্রিকার ছয় দেশের সাথে যোগাযোগ বন্ধ করার পরামর্শ দিয়েছে করোনা নিয়ন্ত্রণে গঠিত জাতীয় কারিগরি পরামর্শক কমিটি। 

ব্যাপক টিকাকরণের মাধ্যমে করোনা মহামারীর লাগাম টানতে যখন গোটা বিশ্ব পার করছে ব্যস্ত সময় তখন নতুন উদ্বেগ নিয়ে হাজির হয়েছে ভাইরাসটির নতুন ধরন ওমিক্রন।

চীনের উহানে আবির্ভূত হওয়ার পর নতুন এই করোনা ভাইরাসের যতগুলো ধরন এখন পর্যন্ত শনাক্ত হয়েছে, তার মধ্যে ওমিক্রনেই জিন বিন্যাসে পরিবর্তন এসেছে সবচেয়ে বেশি।

এতে করোনার যেসব টিকা তৈরি হয়েছে, সেগুলো ওমিক্রনের ক্ষেত্রে কার্যকর নাও হতে পারে। আবার জিন বিন্যাসে পরিবর্তনের কারণে ধরনটি বেশি দ্রুত ছড়ানোর ক্ষমতা রাখতে পারে।

তাই ভাইরাসটির বিস্তার রোধে দক্ষিণ আফ্রিকা, নামিবিয়া, জিম্বাবুয়ে, বতসোয়ানাসহ আফ্রিকার ছয়টি দেশের সঙ্গে আকাশ যোগাযোগ বন্ধ করেছে যুক্তরাজ্যসহ বেশ কিছু দেশ।

আরও পড়ুন: বিশ্ব মানচিত্রে ওমিক্রনের বিস্তার আরো বাড়ছে

একই ধরনের সিদ্ধান্ত নিতে যাচ্ছে বহু দেশ। একই পথে হাঁটছে বাংলাদেশও। ওমিক্রন ঠেকাতে ছয় দেশের সাথে যোগাযোগ বন্ধ করাসহ ১৫ দফা নির্দেশনা দিয়েছে জাতীয় পরামর্শক কমিটি। 

এছাড়া সব রকমের সামাজিক রাজনৈতিক ও ধর্মীয় সমাবেশ বন্ধ করা, গণপরিবহন, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসহ সর্বত্র স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার পরামর্শ দেয়া হয়েছে। 

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর বলছে, ওমিক্রন অতিমাত্রায় সংক্রমণশীল হলেও এটি আক্রান্ত রোগীদের খুব বেশী কাবু করতে পারছে না। 

তবে ভাইরাসটির চরিত্র সম্পর্কে জানতে আরও অন্তত এক সপ্তাহ লাগবে। আপাতত এর বিরুদ্ধে বিরুদ্ধে স্বাস্থ্যবিধি মানা ও টিকাতেই ভরসা দেখছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। 

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক ডা. মীরজাদী সেব্রিনা ফ্লোরা জানান, এরিমধ্যে দেশের সবগুলো হাসপাতালকে সম্ভাব্য পরিস্থিতি মোকাবেলার প্রস্তুতি নিতে বলা হয়েছে।

অণুজীব বিজ্ঞানী সমীর সাহা বলছেন, করোনার ডেল্টা ধরণ প্রতিরোধের ক্ষেত্রে দেশে প্রস্তুতির ঘাটতি ছিলো। তাই ওমিক্রন ছড়িয়ে পড়ার আগেই প্রস্তুতি শেষ করে রাখতে হবে। 


একাত্তর/এসজে

মন্তব্য

এই নিবন্ধটি জন্য কোন মন্তব্য নেই.

আপনার মন্তব্য লিখুন