ঢাকা ২৩ জানুয়ারী ২০২২, ৯ মাঘ ১৪২৮

ভাসানচরে ভালো থাকলেও নিজ দেশে ফিরতে চান রোহিঙ্গারা

ঝুমুর বারী, একাত্তর
প্রকাশ: ০৩ ডিসেম্বর ২০২১ ১৪:১৬:০৬ আপডেট: ০৩ ডিসেম্বর ২০২১ ১৪:২৫:১৩
ভাসানচরে ভালো থাকলেও নিজ দেশে ফিরতে চান রোহিঙ্গারা

ভাসানচরে রোহিঙ্গা বসতির এক বছর পূর্ণ হলো। শান্তির আবাস ভাসানচরে যারা এসেছিলেন এক বছর আগে তারাই এখন নিজ জমিতে করছেন চাষ করছেন।কেউ কেউ জমিয়ে করছেন ব্যবসা। তারা বলছেন, আন্তর্জাতিক সংস্থার উপস্থিতি তাদের জীবনে আশা জাগিয়েছে। কিন্তু তারপরও তারা ফিরতে চান নিজ দেশ মিয়ানমারে। 

কক্সবাজারের বালুখালি ক্যাম্পে যে হোটেল ব্যবসা ছিলো, সেটাই নতুন ঠিকানা ভাসানচরে এসে জমিয়ে করছেন ইসমাইল। টিভিতে সিনেমা আর তার সঙ্গে মজার সব নাস্তার আয়োজন রয়েছে এখানে। আয়ও ভাল। কিন্তু তারপরও ফিরতে চান নিজ দেশে।

এক বছরে ভাসানচরে রোহিঙ্গা এসেছে আঠারো হাজার ৬০০ জন। জীবনধারণের জন্য চাল ডাল তেল নুন সবজি সবই রেশন হিসাবে পেলেও এখন রোহিঙ্গারা করছেন চাষাবাদও। 

সেই সঙ্গে বিদেশি বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থাগুলোও এখন রোহিঙ্গাদের জীবনমান উন্নয়নে কাজ শুরু করেছে। তাই নতুন আশার জন্ম নিয়েছে রোহিঙ্গাদের মাঝে।

ভাসানচরে আশ্রয়ণ প্রকল্পে বর্তমানে এক লাখ রোহিঙ্গার জন্য আবাস রয়েছে। সেই সঙ্গে দুই হাজার এনজিও কর্মী থাকার জায়গা রয়েছে এখানে। জাতিসংঘ ভাসানচরে কাজ শুরু করার কারণে সব ক্ষেত্রেই এসেছে পরিবর্তন।

ভাসানচর আশ্রয়ণ প্রকল্প উপ পরিচালক আনোয়ারুল কবির জানালেন, সরকারে লক্ষ্য রয়েছে মার্চের মধ্যে আরো ৮০ হাজার নতুন রোহিঙ্গাকে ভাসানচর আনা।

২০২০ সালের ডিসেম্বরের প্রথম সপ্তাহে ভাসানচরে রোহিঙ্গা স্থানান্তর শুরু হয়। এখন পর্যন্ত সেখানে গেছেন প্রায় ২০ হাজার রোহিঙ্গা।

গত অক্টোবর মাসে ভাসানচরে রোহিঙ্গাদের মানবিক সহায়তায় যুক্ত হয় জাতিসংঘ। এনিয়ে সরকারের সঙ্গে একটি সমঝোতা স্মারকে সই করেছে জাতিসংঘের শরণার্থী সংস্থা।



মন্তব্য

এই নিবন্ধটি জন্য কোন মন্তব্য নেই.

আপনার মন্তব্য লিখুন